Dhaka 10:55 am, Thursday, 25 June 2026

শুটার মান্নানের অজানা অধ্যায়

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:30:23 pm, Tuesday, 29 July 2025
  • 140 Time View

রাজধানীর সূত্রাপুর ও কোতোয়ালী থানা পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মান্নান ওরফে শুটার মান্নান৷ গজারিয়ায় আসার আগে থাকতেন পুরান ঢাকার বনগ্রাম এলাকায়৷ রাসা বাজারে গর্দা ব্যবসার অন্তরালে ছিল তার এক ভয়ংকর সন্ত্রাসী বাহিনী৷ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় নুন্যতম ডজন খানেক মামলা রয়েছে এই শুটার মান্নানের বিরুদ্ধে । পুলিশী গ্রেফতার এড়াতে হাত মেলায় মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ও বনগ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান খানের সাথে৷ দায়িত্ব নেয় সাইদুর রহমান খানের বডিগার্ড হিসাবে৷
সাইদুর রহমান খানের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় প্রথম বারের মতো গজারিয়ায় আগমন ঘটে শুটার মান্নানের। আস্তানা গাড়ে জৈষ্ঠতলা গ্রামে। একাধিক সুত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে শুটার মান্নানের পুর্ব পুরুষদের কেউ জৈষ্ঠতলার আদি বাসিন্দা নয়, তবে সাইদুর রহমান খানের সহযোগিতায় এই গ্রামের ভোটার তালিকায় নাম উঠে শুটার মান্নানের। নিজেকে দাবি করে জৈষ্ঠ তলা গ্রামের বাসিন্দা হিসাবে৷। অল্প সময়ের মধ্যে এলাকায় মোটামোটি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে। নৌরুটে হয়ে উঠে আতংকিত নাম শুটার মান্নান ।
সাইদুর রহমান খানের ইউপি নির্বাচনে করিম খা গ্রামের ভোট কেন্দ্রে ভোট ছিনতাইয়ের নেতৃত্বে ছিল এই শুটার মান্নান । সাইদুর রহমান খান যখনই গজারিয়ায় আসতেন এই মান্নান বাইক নিয়ে তাকে প্রটোকল দিতেন । এই সুবাদে খুব দ্রুতই শুটার মান্নান একজন ভালো মাপের সন্ত্রাসী হিসাবে ইমামপুর ইউনিয়নে পরিচিত লাভ করে। সাইদুর খানের সকল সন্ত্রাসী বাহিনীর নেতৃত্ব চলে আসে শুটার মান্নানের নিয়ন্ত্রণে । তবে ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগ মুহূর্তে সাইদুর রহমান খানের সাথে পাল্টি দিয়ে শুটার মান্নান হাত মেলায় সাইদুর রহমান খানের প্রতিপক্ষ গ্রুপের সাথে। সেই থেকে দ্বন্দ্ব শুরু হয় সাইদুর রহমান খানের আরেক সেনাপতি লালুর সাথে । মাঝে মধ্যে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলিও হয়েছে একাধিকবার৷
এদিকে আওয়ামিলীগ সরকারের শেষ সময়ের দিকে বালু মহলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বর জেরটা আরও বেড়ে যায়৷ একজন আরেক জনকে হত্যা করার জন্য উীপড়ে লেগেছে৷ তারই বহিঃপ্রকাশ আজকের হত্যাকান্ড। নিহতের স্ত্রী সুমি আক্তার দাবী এই হত্যাকান্ডের মুল নায়ক লালু ও তার স্ত্রী । কিন্তু স্থানীয় সাংবাদিকদের অনেকেই নিহত শুটার মান্নানকে লালু গ্রুপের সদস্য বলে প্রচার করতে দেখা গেছে ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিজিবি কর্তৃক রাজশাহী’র মতিহার সীমান্ত হতে ভারতীয় মদ জব্দ

শুটার মান্নানের অজানা অধ্যায়

Update Time : 07:30:23 pm, Tuesday, 29 July 2025

রাজধানীর সূত্রাপুর ও কোতোয়ালী থানা পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মান্নান ওরফে শুটার মান্নান৷ গজারিয়ায় আসার আগে থাকতেন পুরান ঢাকার বনগ্রাম এলাকায়৷ রাসা বাজারে গর্দা ব্যবসার অন্তরালে ছিল তার এক ভয়ংকর সন্ত্রাসী বাহিনী৷ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় নুন্যতম ডজন খানেক মামলা রয়েছে এই শুটার মান্নানের বিরুদ্ধে । পুলিশী গ্রেফতার এড়াতে হাত মেলায় মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ও বনগ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমান খানের সাথে৷ দায়িত্ব নেয় সাইদুর রহমান খানের বডিগার্ড হিসাবে৷
সাইদুর রহমান খানের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় প্রথম বারের মতো গজারিয়ায় আগমন ঘটে শুটার মান্নানের। আস্তানা গাড়ে জৈষ্ঠতলা গ্রামে। একাধিক সুত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে শুটার মান্নানের পুর্ব পুরুষদের কেউ জৈষ্ঠতলার আদি বাসিন্দা নয়, তবে সাইদুর রহমান খানের সহযোগিতায় এই গ্রামের ভোটার তালিকায় নাম উঠে শুটার মান্নানের। নিজেকে দাবি করে জৈষ্ঠ তলা গ্রামের বাসিন্দা হিসাবে৷। অল্প সময়ের মধ্যে এলাকায় মোটামোটি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে। নৌরুটে হয়ে উঠে আতংকিত নাম শুটার মান্নান ।
সাইদুর রহমান খানের ইউপি নির্বাচনে করিম খা গ্রামের ভোট কেন্দ্রে ভোট ছিনতাইয়ের নেতৃত্বে ছিল এই শুটার মান্নান । সাইদুর রহমান খান যখনই গজারিয়ায় আসতেন এই মান্নান বাইক নিয়ে তাকে প্রটোকল দিতেন । এই সুবাদে খুব দ্রুতই শুটার মান্নান একজন ভালো মাপের সন্ত্রাসী হিসাবে ইমামপুর ইউনিয়নে পরিচিত লাভ করে। সাইদুর খানের সকল সন্ত্রাসী বাহিনীর নেতৃত্ব চলে আসে শুটার মান্নানের নিয়ন্ত্রণে । তবে ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগ মুহূর্তে সাইদুর রহমান খানের সাথে পাল্টি দিয়ে শুটার মান্নান হাত মেলায় সাইদুর রহমান খানের প্রতিপক্ষ গ্রুপের সাথে। সেই থেকে দ্বন্দ্ব শুরু হয় সাইদুর রহমান খানের আরেক সেনাপতি লালুর সাথে । মাঝে মধ্যে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলিও হয়েছে একাধিকবার৷
এদিকে আওয়ামিলীগ সরকারের শেষ সময়ের দিকে বালু মহলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বর জেরটা আরও বেড়ে যায়৷ একজন আরেক জনকে হত্যা করার জন্য উীপড়ে লেগেছে৷ তারই বহিঃপ্রকাশ আজকের হত্যাকান্ড। নিহতের স্ত্রী সুমি আক্তার দাবী এই হত্যাকান্ডের মুল নায়ক লালু ও তার স্ত্রী । কিন্তু স্থানীয় সাংবাদিকদের অনেকেই নিহত শুটার মান্নানকে লালু গ্রুপের সদস্য বলে প্রচার করতে দেখা গেছে ।