Dhaka 7:55 am, Saturday, 4 July 2026

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির পরিচিতি ও শিক্ষক বদলীর দাবী মিঠাপুকুরবাসীর

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির পরিচিতি ও শিক্ষক বদলীর দাবী মিঠাপুকুরবাসীর

আব্দুল হালিম,স্টাফ রিপোর্টার

আবু নূর মো: শামসুজ্জামান ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি অত্র অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রাজস্ব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আবু নূর মো: শামসুজ্জামান বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৮ তম ব্যাচের একজন সদস্য। তিনি ২৫/০১/১৯৯৯ তারিখ এ সার্ভিসে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসাবে চাকুরি জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে বিভিন্ন উপজেলায় এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে জেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে
অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আবু নূর মো: শামসুজ্জামান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ হতে ১৯৯৭ সালে স্নাতক (সম্মান) সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। প্রশিক্ষণ ও সরকারি সফরে তিনি ইংল্যান্ড, ফিলিপাইন, চীন, অষ্ট্রেলিয়া, শ্রীলংকা ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।
আবু নূর মো: শামসুজ্জামান ১৯৭০ সালে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার জন্মভূমি পায়রাবন্দ গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৃত ফরহাদ উদ্দিন এবং মাতা মোসাঃ সহিদা বেগম। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক।
বিভিন্ন অনিয়ম,দূর্নীতি,স্বেচ্ছাচারিতা, ছাত্রছাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ, নিদৃষ্ট সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি, যোগদান থেকে একই বিদ্যালয়ে অবস্থান, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত, অবিভাকদের সাথে খারাপ আচরণের কারণে ২৭৫ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৫ জন প্রধান শিক্ষক বদলীর দাবী মিঠাপুকুরবাসীর। বিদ্যালয়গুলি হল
মোলং নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ ন ম আশরাফুল আলম ওরফে আবু যোগদান থেকে ৩০ বছর ধরে একই বিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন। তার ব্যবহারে এলাকাবাসী অতিষ্ট।
হাবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার সরকার, আবিরের পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নওশাদ, একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূহুল আমিন, ময়েনপুর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল আলম, শাল্টিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, লোহাকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান সরকার, বড়পীর মহিউদ্দিন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেহেলী বেগম, চাঁদপাড়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,
কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ বেগম, ভিকনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম, তেকানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহবুবা বেগম, কালিতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, কুমার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, আরাজি শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকজাহেদুল ইসলাম, বারঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশীদ, ফরিদপুর নামাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিশিকান্ত, বেড়া মকিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহআলম, তেতুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসানুল হক, নাওকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন, ইমাদপুর আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজু মিয়া, রহমতপুর সোনারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদশা মিয়া, মির্জাপুর দিগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামধন চন্দ্র,
দক্ষিন রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান,
চকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুলতান, আমাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান #৬-১০-২০২৫

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবলের সংকট সাধারণ রোগীদের চরম ভোগান্তি। মোঃ শাহ্ আলম সরকার স্টাফ রিপোর্টার। গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবলের দীর্ঘদিনের নানা সংকট, হসপিটালে জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জরুরি চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়া এক দালালচক্রের তৎপরতায় সাধারণ রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রতিদিন কয়েকশ রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে এলেও সীমিত জনবল ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধার অভাবে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও স্বজনরা। ২ জুলাই রোজ বৃহস্পতিবার হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগে সকাল থেকেই রোগীদের দীর্ঘ সারি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রোগীরা একজন চিকিৎসককে একাধিক বিভাগের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শিশু, বয়স্ক ও নারী রোগীদের অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসকের সাক্ষাৎ মিলেনা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যার এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদের মধ্যে বর্তমানে ১০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া তৃতীয় শ্রেণির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং চতুর্থ শ্রেণির প্রায় ৫০ শতাংশ পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে। ফলে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার অভাব। হাসপাতালে কোনো জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে জরুরি বিভাগ, নেবুলাইজার, অক্সিজেন সাপোর্টসহ বিদ্যুৎনির্ভর বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। অনেক সময় রোগীর স্বজনদের হাতপাখা দিয়ে রোগীদের বাতাস করতে দেখা যায়। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়। রেহেনা আক্তার নামের এক রোগী বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসক পাওয়া যায় না। পরে বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হয়। এতে আমাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল বাসেত বলেন, এত বড় উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও জনবল সংকট দীর্ঘদিনের। দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ একটি জেনারেটর স্থাপন করা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। এদিকে হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১ জুলাই থেকে হাসপাতালের ১০ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এইচ.এম. ফখরুল হোসেন বলেন, কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, জনবল ও জেনারেটর সংকটের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। শূন্য পদ পূরণ জেনারেটর বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জরুরি ভিত্তিতে চিঠি পাঠানো হবে। হাসপাতালের সেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম, দালালচক্রের তৎপরতা বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যে হাসপাতালের নিরাপত্তা ও দালাল নিয়ন্ত্রণে ১০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন বলেন, চিকিৎসক ও জনবল সংকট সত্ত্বেও সীমিত জনবল নিয়ে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। শূন্য পদ পূরণ জেনারেটর বরাদ্দের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রতিদিন এ হাসপাতালে জরুরি প্রসূতি সেবা, নবজাতক ও শিশু চিকিৎসা, অক্সিজেন সাপোর্ট, টিকাদান, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়। কিন্তু জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেবার মান ধরে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রাজপাড়ায় র‍্যাব-৫ এর অভিযান ১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির পরিচিতি ও শিক্ষক বদলীর দাবী মিঠাপুকুরবাসীর

Update Time : 05:00:52 pm, Monday, 6 October 2025

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির পরিচিতি ও শিক্ষক বদলীর দাবী মিঠাপুকুরবাসীর

আব্দুল হালিম,স্টাফ রিপোর্টার

আবু নূর মো: শামসুজ্জামান ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি অত্র অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রাজস্ব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আবু নূর মো: শামসুজ্জামান বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৮ তম ব্যাচের একজন সদস্য। তিনি ২৫/০১/১৯৯৯ তারিখ এ সার্ভিসে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসাবে চাকুরি জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে বিভিন্ন উপজেলায় এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে জেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে
অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আবু নূর মো: শামসুজ্জামান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ হতে ১৯৯৭ সালে স্নাতক (সম্মান) সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। প্রশিক্ষণ ও সরকারি সফরে তিনি ইংল্যান্ড, ফিলিপাইন, চীন, অষ্ট্রেলিয়া, শ্রীলংকা ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।
আবু নূর মো: শামসুজ্জামান ১৯৭০ সালে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার জন্মভূমি পায়রাবন্দ গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৃত ফরহাদ উদ্দিন এবং মাতা মোসাঃ সহিদা বেগম। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক।
বিভিন্ন অনিয়ম,দূর্নীতি,স্বেচ্ছাচারিতা, ছাত্রছাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ, নিদৃষ্ট সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি, যোগদান থেকে একই বিদ্যালয়ে অবস্থান, বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত, অবিভাকদের সাথে খারাপ আচরণের কারণে ২৭৫ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৫ জন প্রধান শিক্ষক বদলীর দাবী মিঠাপুকুরবাসীর। বিদ্যালয়গুলি হল
মোলং নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ ন ম আশরাফুল আলম ওরফে আবু যোগদান থেকে ৩০ বছর ধরে একই বিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন। তার ব্যবহারে এলাকাবাসী অতিষ্ট।
হাবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজয় কুমার সরকার, আবিরের পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নওশাদ, একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূহুল আমিন, ময়েনপুর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল আলম, শাল্টিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, লোহাকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান সরকার, বড়পীর মহিউদ্দিন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেহেলী বেগম, চাঁদপাড়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,
কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ বেগম, ভিকনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম, তেকানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহবুবা বেগম, কালিতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, কুমার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, আরাজি শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকজাহেদুল ইসলাম, বারঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশীদ, ফরিদপুর নামাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিশিকান্ত, বেড়া মকিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহআলম, তেতুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসানুল হক, নাওকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুন, ইমাদপুর আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজু মিয়া, রহমতপুর সোনারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদশা মিয়া, মির্জাপুর দিগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামধন চন্দ্র,
দক্ষিন রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান,
চকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুলতান, আমাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান #৬-১০-২০২৫