Dhaka 11:47 am, Monday, 22 June 2026

ইউক্রেনের‘বাইকুনুর’আঙুর চাষে সাফল্য অর্জনে প্রশংসিত গোপালপুরে তরুণ সাইদুর

নিজস্ব প্রতিনিধি মিসেস চামেলী আক্তার:-
টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামেরছেলেমোঃ সাইদুররহমান(১৯)বিদেশি‘বাইকুনুর’জাতের আঙুর চাষ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
প্রথমে দেশীয় জাতের আঙুর গাছের চারা কিনে প্রতারিত হন সাইদুর। পরে ১-২ বছর বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে খোঁজাখুঁজির পর ইউক্রেনের ‘বাইকুনুর’ জাতের লাল রঙের আঙুর গাছ সংগ্রহ করেন তিনি। বর্তমানে তার বাগানে গাছ প্রতি প্রায় ৫ কেজি করে ফলন পাওয়ার আশা করছেন।
সাইদুর জানান, তিনি ৫ শতাংশ জমিতে প্রায় ৩০টি আঙুর গাছ রোপণ করেছেন। এ বাগান করতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা।
তিনি বলেন, আঙুর চাষে কয়েকটি ধাপ মেনে চলতে হয়—
প্রথমে উন্নতমানের চারা রোপণ করতে হয়
৩০ দিনের মধ্যে গাছে মাচা তৈরি করতে হয়
নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হয়
৭-৮ মাসের মধ্যেই গাছে ফল আসা শুরু করে
ফল আসার পর আড়াই থেকে তিন মাসে তা পরিপক্ব হয়
নিজের বাগান থেকেই বর্তমানে চারা বিক্রি করছেন সাইদুর। তিনি বলেন, “আমার বাগানে এসে নিজ হাতে আঙুর পেড়ে খেয়ে চারা নিতে পারবেন।”
শুধু ‘বাইকুনুর’ নয়, তার কাছে আরও উন্নত জাতের আঙুরের চারা রয়েছে—‘বাইকুনুর
গ্রীন লং
আমেরিকান রিলায়েন্স
জয় সিডলেস
ডিক্সন
এগুলো ফলন আসছে এসব জাতের চারাও তিনি বর্তমানে বিক্রি করছেন।
এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমা আক্তার বলেন, “আমাদের কৃষি বিভাগ সাইদুর রহমানের পাশে রয়েছে। এই আঙুর চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে বছরে আঙুরের উৎপাদন বাড়বে, ফলে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

লালপুরে পদ্মার চর থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: ইট ভাটায় অভিযান, এক্সকাভেটরের ব্যাটারি জব্দ​”

ইউক্রেনের‘বাইকুনুর’আঙুর চাষে সাফল্য অর্জনে প্রশংসিত গোপালপুরে তরুণ সাইদুর

Update Time : 11:14:41 pm, Wednesday, 29 April 2026

নিজস্ব প্রতিনিধি মিসেস চামেলী আক্তার:-
টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামেরছেলেমোঃ সাইদুররহমান(১৯)বিদেশি‘বাইকুনুর’জাতের আঙুর চাষ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
প্রথমে দেশীয় জাতের আঙুর গাছের চারা কিনে প্রতারিত হন সাইদুর। পরে ১-২ বছর বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে খোঁজাখুঁজির পর ইউক্রেনের ‘বাইকুনুর’ জাতের লাল রঙের আঙুর গাছ সংগ্রহ করেন তিনি। বর্তমানে তার বাগানে গাছ প্রতি প্রায় ৫ কেজি করে ফলন পাওয়ার আশা করছেন।
সাইদুর জানান, তিনি ৫ শতাংশ জমিতে প্রায় ৩০টি আঙুর গাছ রোপণ করেছেন। এ বাগান করতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা।
তিনি বলেন, আঙুর চাষে কয়েকটি ধাপ মেনে চলতে হয়—
প্রথমে উন্নতমানের চারা রোপণ করতে হয়
৩০ দিনের মধ্যে গাছে মাচা তৈরি করতে হয়
নিয়মিত সার প্রয়োগ করতে হয়
৭-৮ মাসের মধ্যেই গাছে ফল আসা শুরু করে
ফল আসার পর আড়াই থেকে তিন মাসে তা পরিপক্ব হয়
নিজের বাগান থেকেই বর্তমানে চারা বিক্রি করছেন সাইদুর। তিনি বলেন, “আমার বাগানে এসে নিজ হাতে আঙুর পেড়ে খেয়ে চারা নিতে পারবেন।”
শুধু ‘বাইকুনুর’ নয়, তার কাছে আরও উন্নত জাতের আঙুরের চারা রয়েছে—‘বাইকুনুর
গ্রীন লং
আমেরিকান রিলায়েন্স
জয় সিডলেস
ডিক্সন
এগুলো ফলন আসছে এসব জাতের চারাও তিনি বর্তমানে বিক্রি করছেন।
এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমা আক্তার বলেন, “আমাদের কৃষি বিভাগ সাইদুর রহমানের পাশে রয়েছে। এই আঙুর চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে বছরে আঙুরের উৎপাদন বাড়বে, ফলে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।”