
কাজী মোস্তফা রুমি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর জুড়ে চলমান দীর্ঘ ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দিনের পর দিন বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার এই অসহনীয় পরিস্থিতি এখন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। গরমে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, রোগী এবং শ্রমজীবী মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়লেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর সমাধানের দেখা মিলছে না।
স্থানীয়দের ভাষ্য- একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা-এই দুইয়ের চাপে জনজীবন যেন এক অঘোষিত দুর্যোগে পরিণত হয়েছে।
এদিকে আগামী ১ জুলাই থেকে ষষ্ঠ হতে নবম শ্রেণী পর্যন্ত অর্ধবার্ষিক ও দশম শ্রেণীর প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে।
কিন্তু ভয়াবহ গরম আর বিদ্যুতের এই তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।
ছোট ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, বিদ্যুৎ নির্ভর কাজগুলো বারবার থেমে যাচ্ছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগীরা বলছেন- সমস্যা থাকতেই পারে, কিন্তু সেই সমস্যা মোকাবেলায় পরিকল্পনা কোথায়? মানুষকে অন্ধকারে রেখে নীরবতা পালন করা কোনো দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার পরিচয় হতে পারে না। জনগণের ভোগান্তি যখন অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন নীরবতা ও উদাসীনতা আরও বড় প্রশ্নের জন্ম দেয়।
নাগরপুর পল্লী বিদ্যুতের সাথে বারবার যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে বরাবরের মতোই বলেন- চাহিদার তুলনায় উৎপাদিত বিদ্যুতের সরবারহ কম থাকায় এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। চাহিদার সমপরিমাণ উৎপাদিত বিদ্যুতের সরবরাহ হলে এই সমস্যা হতে উত্তরণ সম্ভব।
এলাকাবাসীর দাবি- বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর উদ্যোগ এবং লোডশেডিংয়ের প্রকৃত কারণ ও সমাধান পরিকল্পনা জনসমক্ষে তুলে ধরা উচিত।
কাজী মোস্তফা রুমি 



















