Dhaka 4:34 am, Saturday, 4 July 2026

কলকাতা পৌরসভা ও রাজ্য প্রশাসনের গাফিলতিতে, বর্ষায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ১২ জনের মৃত্যুতে-প্রতিবাদ মিছিল

কলকাতা পৌরসভা ও রাজ্য প্রশাসনের গাফিলতিতে, বর্ষায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ১২ জনের মৃত্যুতে-প্রতিবাদ মিছিল

সমরেশ রায় পশ্চিম বঙ্গ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি

আজ ৫ই অক্টোবর রবিবার, ঠিক দুপুর দুটোয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ও নাগরিকদের সহযোগিতায় প্রতিবাদ মিছিল। পুজোর মুখে প্রবল বর্ষণে , পৌরসভার ও প্রশাসনের গাফিলতিতে এবং ব্যর্থতায় কলকাতা সহ জেলায় পুজোর মুখে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে নাগরিকদের অকাল মৃত্যু ঘটায়, তাহার প্রতিবাদে এবং কলকাতার মেয়র ফিরাদ হাকিম কে গ্রেপ্তারের দাবীতে, কলেজ স্কোয়ার থেকে কয়েকশো নাগরিকদের প্রতিবাদ মিছিল এস এন ব্যানার্জি রোড ধরে ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিং এ শেষ হয় এবং একটি প্রতিবাদ সভা করেন।

এই মিছিলে ও সভায় অংশগ্রহণ করেন, বিরোধী দলনেতা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা শুভেন্দু অধিকারী, প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়, বিরোধী নেতা তাপস রায়, তমগ্ন ঘোষ, অর্জুন সিং সহ একাধিক নেতা ও নেতৃবৃন্দ।

মিছিলে একটাই দাবী নিরীহ মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া, পৌরসভায় দিনের পর দিন গাফিলতির অভিযোগ, সি ই এস সির উপর দোষ চাপিয়ে দোসকে ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা, ডিভিসির নামে মিথ্যা অপপ্রচার, এবং পুজোর মুখে এতগুলো প্রাণ চলে যাওয়ার পরেও মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ও মহানগরী ফিরাদ হাকিম চুপ করে বসে আছেন, এতগুলো প্রাণ বিনা কারণে নিজেদের গাভীর জন্য গেল তার কোন মানবিকতা দেখার নেই পরিবারের কাছে, অথচ আজ পুজোয় মেতে উঠেছেন, কার্নিভাল করছেন, গরিবের রক্ত জল করা , শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পথে বসানো, এবং চাকরির টাকা আত্মসাৎ করে তাদের পথে বসিয়ে ,

পুজোর অনুদানে মেতেছেন। অথচ বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এতগুলো মানুষের প্রাণ গেলো তাদের পরিবারের কথা একবারও ভাবেননি, শুধু মস্তান গুন্ডো দিয়ে তলা তোলা, আর প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে রাতের অন্ধকারে গাড়ি থেকে টাকা তোলা, এই তৃণমূল সরকারের কাজকর্ম, তাই প্রশাসনকে আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই, যে সরকার ডিএ টাকা দিতে পারেনা, সেই সরকার অনুদান দেয় পুজো ক্লাব গুলিকে কি ভাবে, জনগণের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আর না ভাবতে শিখুন, বুঝতে শিখুন, এই সরকারকে পথে নামাতে জোটবদ্ধ হন, পিসি ভাইপোকে পথে টেনে নামিয়া আনুন, তাহাদের মুখোশ গুলো সবার সামনে তুলে ধরুন, আর ২০২৬ এর ভোটে জবাব দিন।

মিছিল যত পৌরসভার কাছে এগিয়ে আসে, প্রতিবাদীরা আরো জোর কণ্ঠস্বরে বলে ওঠেন, চোর চোর চোর, চোরের সরকার, পিসি চোর ,ভাইপো চোর, ফিরহাদ হাকিম চোর, কর্পোরশনের সমস্ত কিছু লুট করে খাচ্ছে, সবকিছুতে সাধারণ মানুষকে পথে বসাচ্ছে, তাই যেভাবে এতগুলো নিরীহ মানুষকে প্রাণ দিতে হলো তার জন্য অবিলম্বে কলকাতার মহানগরিক ফিরাদ হাকিম কে গ্রেফতার করা হোক। আর যতদিন না গ্রেফতার করা হবে আমরা এইভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাব, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন নাকি ৯৯ শতাংশ নিকাশি ব্যবস্থা হয়ে গেছে। আর কত মিথ্যা কথা বলবেন, যখনই কিছু হয় বা ঘটে, তখন বাইরের দেশকে তুলে নিজের সমস্ত দোষ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন, এই হচ্ছে তৃণমূল সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর চাল, কোনদিনও নিজের দোষ বলেন না ও ধরেন না, একটানা একটা অজুহাত তুলে ধরে সাধারন মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, আর ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন, আর না সাধারণ মানুষ বুঝতে শিখেছে, প্রতিবাদ করতে শিখেছে, তাই ২৬ শে আপনাকে সঠিক জবাব দেবে। আর বেশি দিন নাই, যা করার করে নিন। আর যত মিথ্যে কথা বলার বলে নিন।

রিপোর্টার , সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবলের সংকট সাধারণ রোগীদের চরম ভোগান্তি। মোঃ শাহ্ আলম সরকার স্টাফ রিপোর্টার। গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবলের দীর্ঘদিনের নানা সংকট, হসপিটালে জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জরুরি চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়া এক দালালচক্রের তৎপরতায় সাধারণ রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রতিদিন কয়েকশ রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে এলেও সীমিত জনবল ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধার অভাবে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও স্বজনরা। ২ জুলাই রোজ বৃহস্পতিবার হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগে সকাল থেকেই রোগীদের দীর্ঘ সারি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রোগীরা একজন চিকিৎসককে একাধিক বিভাগের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শিশু, বয়স্ক ও নারী রোগীদের অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসকের সাক্ষাৎ মিলেনা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যার এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদের মধ্যে বর্তমানে ১০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া তৃতীয় শ্রেণির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং চতুর্থ শ্রেণির প্রায় ৫০ শতাংশ পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে। ফলে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার অভাব। হাসপাতালে কোনো জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে জরুরি বিভাগ, নেবুলাইজার, অক্সিজেন সাপোর্টসহ বিদ্যুৎনির্ভর বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। অনেক সময় রোগীর স্বজনদের হাতপাখা দিয়ে রোগীদের বাতাস করতে দেখা যায়। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়। রেহেনা আক্তার নামের এক রোগী বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসক পাওয়া যায় না। পরে বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হয়। এতে আমাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল বাসেত বলেন, এত বড় উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও জনবল সংকট দীর্ঘদিনের। দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ একটি জেনারেটর স্থাপন করা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। এদিকে হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১ জুলাই থেকে হাসপাতালের ১০ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এইচ.এম. ফখরুল হোসেন বলেন, কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, জনবল ও জেনারেটর সংকটের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। শূন্য পদ পূরণ জেনারেটর বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জরুরি ভিত্তিতে চিঠি পাঠানো হবে। হাসপাতালের সেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম, দালালচক্রের তৎপরতা বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যে হাসপাতালের নিরাপত্তা ও দালাল নিয়ন্ত্রণে ১০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন বলেন, চিকিৎসক ও জনবল সংকট সত্ত্বেও সীমিত জনবল নিয়ে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। শূন্য পদ পূরণ জেনারেটর বরাদ্দের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রতিদিন এ হাসপাতালে জরুরি প্রসূতি সেবা, নবজাতক ও শিশু চিকিৎসা, অক্সিজেন সাপোর্ট, টিকাদান, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়। কিন্তু জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেবার মান ধরে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রাজপাড়ায় র‍্যাব-৫ এর অভিযান ১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

কলকাতা পৌরসভা ও রাজ্য প্রশাসনের গাফিলতিতে, বর্ষায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ১২ জনের মৃত্যুতে-প্রতিবাদ মিছিল

Update Time : 07:18:14 pm, Sunday, 5 October 2025

কলকাতা পৌরসভা ও রাজ্য প্রশাসনের গাফিলতিতে, বর্ষায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ১২ জনের মৃত্যুতে-প্রতিবাদ মিছিল

সমরেশ রায় পশ্চিম বঙ্গ আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি

আজ ৫ই অক্টোবর রবিবার, ঠিক দুপুর দুটোয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ও নাগরিকদের সহযোগিতায় প্রতিবাদ মিছিল। পুজোর মুখে প্রবল বর্ষণে , পৌরসভার ও প্রশাসনের গাফিলতিতে এবং ব্যর্থতায় কলকাতা সহ জেলায় পুজোর মুখে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে নাগরিকদের অকাল মৃত্যু ঘটায়, তাহার প্রতিবাদে এবং কলকাতার মেয়র ফিরাদ হাকিম কে গ্রেপ্তারের দাবীতে, কলেজ স্কোয়ার থেকে কয়েকশো নাগরিকদের প্রতিবাদ মিছিল এস এন ব্যানার্জি রোড ধরে ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিং এ শেষ হয় এবং একটি প্রতিবাদ সভা করেন।

এই মিছিলে ও সভায় অংশগ্রহণ করেন, বিরোধী দলনেতা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা শুভেন্দু অধিকারী, প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়, বিরোধী নেতা তাপস রায়, তমগ্ন ঘোষ, অর্জুন সিং সহ একাধিক নেতা ও নেতৃবৃন্দ।

মিছিলে একটাই দাবী নিরীহ মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া, পৌরসভায় দিনের পর দিন গাফিলতির অভিযোগ, সি ই এস সির উপর দোষ চাপিয়ে দোসকে ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা, ডিভিসির নামে মিথ্যা অপপ্রচার, এবং পুজোর মুখে এতগুলো প্রাণ চলে যাওয়ার পরেও মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ও মহানগরী ফিরাদ হাকিম চুপ করে বসে আছেন, এতগুলো প্রাণ বিনা কারণে নিজেদের গাভীর জন্য গেল তার কোন মানবিকতা দেখার নেই পরিবারের কাছে, অথচ আজ পুজোয় মেতে উঠেছেন, কার্নিভাল করছেন, গরিবের রক্ত জল করা , শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পথে বসানো, এবং চাকরির টাকা আত্মসাৎ করে তাদের পথে বসিয়ে ,

পুজোর অনুদানে মেতেছেন। অথচ বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এতগুলো মানুষের প্রাণ গেলো তাদের পরিবারের কথা একবারও ভাবেননি, শুধু মস্তান গুন্ডো দিয়ে তলা তোলা, আর প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে রাতের অন্ধকারে গাড়ি থেকে টাকা তোলা, এই তৃণমূল সরকারের কাজকর্ম, তাই প্রশাসনকে আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই, যে সরকার ডিএ টাকা দিতে পারেনা, সেই সরকার অনুদান দেয় পুজো ক্লাব গুলিকে কি ভাবে, জনগণের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আর না ভাবতে শিখুন, বুঝতে শিখুন, এই সরকারকে পথে নামাতে জোটবদ্ধ হন, পিসি ভাইপোকে পথে টেনে নামিয়া আনুন, তাহাদের মুখোশ গুলো সবার সামনে তুলে ধরুন, আর ২০২৬ এর ভোটে জবাব দিন।

মিছিল যত পৌরসভার কাছে এগিয়ে আসে, প্রতিবাদীরা আরো জোর কণ্ঠস্বরে বলে ওঠেন, চোর চোর চোর, চোরের সরকার, পিসি চোর ,ভাইপো চোর, ফিরহাদ হাকিম চোর, কর্পোরশনের সমস্ত কিছু লুট করে খাচ্ছে, সবকিছুতে সাধারণ মানুষকে পথে বসাচ্ছে, তাই যেভাবে এতগুলো নিরীহ মানুষকে প্রাণ দিতে হলো তার জন্য অবিলম্বে কলকাতার মহানগরিক ফিরাদ হাকিম কে গ্রেফতার করা হোক। আর যতদিন না গ্রেফতার করা হবে আমরা এইভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাব, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন নাকি ৯৯ শতাংশ নিকাশি ব্যবস্থা হয়ে গেছে। আর কত মিথ্যা কথা বলবেন, যখনই কিছু হয় বা ঘটে, তখন বাইরের দেশকে তুলে নিজের সমস্ত দোষ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন, এই হচ্ছে তৃণমূল সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর চাল, কোনদিনও নিজের দোষ বলেন না ও ধরেন না, একটানা একটা অজুহাত তুলে ধরে সাধারন মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, আর ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন, আর না সাধারণ মানুষ বুঝতে শিখেছে, প্রতিবাদ করতে শিখেছে, তাই ২৬ শে আপনাকে সঠিক জবাব দেবে। আর বেশি দিন নাই, যা করার করে নিন। আর যত মিথ্যে কথা বলার বলে নিন।

রিপোর্টার , সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ