
আব্দুস সামাদ লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাটের আদিতমারী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাাংগঠনিক সম্পাদককে বহিষ্কার করা হয়েছে।বহিষ্কারাদেশে ‘দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ” আনা হয়।
৩০ মার্চ বহিষ্কারাদেশ পাওয়ার পর রাকিবুল হাসান নামের ওই নেতা তড়িঘড়ি করে ফেসবুকে স্টাটাস দেন।স্টাটাস দিয়ে তিনি প্রচার করেন,গণভোটের পক্ষে অবস্থান নেয়ার এক ঘন্টার মধ্যে তাকে বহিষ্কার করা হলো।
৩০ মার্চ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি আমরুল হাসান মোল্লা সাক্ষরিত বহিষ্কারাদেশে বলা হয়,দলের লালমনিরহাট জেলা শাখার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনিদিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আদিতমারী সরকারী কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাকিবুল হাসান কে প্রাথমিক সদস্য পদ সহ দলীয় সকল পদ থেকে বহিস্কার করা হলো। বহিস্কার প্রাপ্ত নেতার সাথে সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কোন প্রকার যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ প্রদান করা হলো।
লালমনিরহাট জেলা ছাত্রদলের জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ সাদিকুল ইসলাম পাভেল এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর খান আজ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।”
দলীয় একাধিক নেতা বালাট্রিবিউনকে বলেন,কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন রাকিবুল হাসান।সাধারণ সম্পাদক হতে না পাওয়ার পরে তাকে সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ দেয়া হয়।এই পদে সন্তষ্ট হতে না পেরে দল থেকে পদত্যাগ করেন।পদত্যাগ করার পরে আবারও দলে থাকার সীদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এরপর দলেন নেতারা মৌখিক এই সীদ্ধান্ত মেনে নেন।তারপরে দলের আর কোনো কাজে রাকিবুল আসছিলেন না।এরপরে কয়েকটি শোকজ করা হয়।শোকজরের জবাব না পেয়ে বহিষ্কার করা হয়।তিনি এলাকাতে কিংবা কলেজেও থাকেন না।
বহিষ্কার হওয়া রাকিবুল হাসান বলেন,আমি গণভোটেরর পক্ষে স্টাটাস দিয়েছি।সে কারণে আমাকে এক ঘন্টার মধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পদত্যাগ পত্র জমা দেয়ার সত্যতা স্বীকার করে রাকিব বলেন,আমি ৮/৯ মাস আগে পদত্যাগ করেছি।পরে বরেছি আমি পদত্যাগ করবোনা,দলে থাকতে চাই।আমি ক্লাস নাইন থেতে ছাত্রদল করি।আমি এখন নিজ জেলাতে থাকিনা।একটা ট্রেনিং করছি বাহিরে।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর খান বাংলাট্রিবিউনকে বলেন,আমরা দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে বহিষ্কার করেছি।এর আগে অনেক গুলো শোকজ করা হয়েছি।সে নিজে এলাকাতে থাকেন না।দলীয় কোনো কাজে তাকে পাওয়া যায়না।আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেনায় দলকে পুনর্গঠন করা করছি।
আব্দুস সামাদ 

















