Dhaka 10:02 pm, Tuesday, 21 April 2026

পর্দার আড়ালে থেকে অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করছেন জিন্নাত আরা ইফা

নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃতানভীর আহম্মেদ তামিম:-
জানুয়ারি মাসের ২য় সপ্তাহের দিকে শীতের ঘন কুয়াশার আমেজ মেখে কিশোরগঞ্জের মধ্যপাড়া গ্রামে এক মহীয়সীর কোল আলো করে পৃথিবীতে আগমন করেন, জিন্নাত আরা ইফা। নিভৃতচারী, প্রতিবাদী, স্বাধীনচেতা, সংস্কৃতমনা মানুষ। স্কুল জীবনেই তাঁর কবিতার যাত্রা শুরু। মুক্তির চেতনায় উদ্বুদ্ধ তিনি; স্বাধীনতায়, বোধে সতত জাগ্রত দেশ ভালোবাসা, প্রেম-বিরহ, মাটি ও মানুষ। এত বছর নিজেকে আড়ালে রেখেছেন বিভিন্ন কারণে। ‘হৃদয় ভাঙার শব্দ’ কবির প্রথম প্রকাশিত একক কাব্যগ্রন্থ।
তিনি শৈশব-কৈশোর কাটিয়েছেন গ্রামের পলিমাটির ঘ্রাণ মেখে। তাঁর স্কুল জীবনের দুরন্তপনা পার করেন ‘মধ্যপাড়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়’ থেকে। কলেজের মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা শেষ করেন ‘কটিয়াদী সরকারি কলেজ’ থেকে এরপর ‘উত্তরা ইউনিভার্সিটি’ থেকে এম.এ (ইংরেজি) শেষ করেন। পড়ার প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকায় তিনি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ থেকে এম.এস.এস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) করেন। জ্ঞান পিপাসার্ত কবি এখনো পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.বি পড়ছেন।

শীতের ঘন কুয়াশার বুক চিরে জানুয়ারীর ১৩ তারিখে উষ্ণতার পরশ নিয়ে কিশোরগঞ্জ এর মধ্যপাড়া গ্রামে এক মহীয়সীর কোল আলোকিত করে ধরণীতে আসেন, জিন্নাত আরা ইফা।
তিনি একজন তরুণ উদ্যোক্তা। তিনি ‘মিলিয়ন রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভলাপারস লিমিটেড’-এর পরিচালক। তিনি নিজ প্রচেষ্টায় জনকল্যাণমূলক এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘গ্রেট হার্ট ফাউন্ডেশন’ গড়ে তোলেন। তিনি বেশ কয়েকবছর স্কুল এবং কলেজে শিক্ষকতা করেন। তিনি লায়ন্স ক্লাবের একজন সম্মানিত সদস্য। সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন জনহিতৈষীমূলক কাজে জড়িত আছেন। তিনি একাধারে কবি, লেখক এবং কলামিস্ট। তিনি নিজ মেধায় বহু পুরস্কার অর্জন করেন।
তিনি বাংলা সাহিত্যে নতুনত্ব আনার চেষ্টায় ও সমাজের কুসংস্কার এবং ঝরাজীর্ণ দূর করার উদ্দেশ্যে সাহিত্যাঙ্গনে বিচরণ করে যাচ্ছেন।
বাংলা সাহিত্যে।
জিন্নাত আরা ইফা। তাঁর প্রথম একক কাব্য গ্রন্থ ‘হৃদয় ভাঙ্গার শব্দ’ ২০২৩ইং একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হয়। কবির দ্বিতীয় একক কাব্যগ্রন্থ ‘জয়তু’ । জিন্নাত আরা ইফা। পর্দার আড়ালে থেকে দেশে-বিদেশে ব্যাপক সামাজিক কাজ করছেন । নিরবে অসহায়দেরকে পাশে জিন্নাত আরা ইফা। ।
জিন্নাত আরা ইফা। বাংলাদেশের উন্নয়ন করার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, দেশী-বিদেশী সকল স্থানে ছুটে চলে যাচ্ছেন গরীব-অসহায় মানুষদেরকে সহযোগীতা করতে।
জিন্নাত আরা ইফা একেবারেই ছোট বয়স থেকে সামাজিক কাজ করছেন। এদিকে 2021 সালে প্রতিষ্ঠাতা করেন,গ্রেট হার্ট ফাউন্ডেশন নামক একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি বছর বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী পালন করেন তিনি। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৩ সালে যখন তুরস্কে ভূমিকম্প হয় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তখন গ্রেট হার্ট ফাউন্ডেশন – নারী শিশু ও সব বয়সের মানুষের জন্য ১৮, ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছিলেন । এদের মধ্যে ছিল ,১/ শিশুদের জন্য গুড়া দুধ,,ফিডার,নিপেল,বিস্কুট,কেক,কয়েক ধরনের। ২/ চিড়া ,গুড়,কফ চকলেট,বড়দের জন্য খাদ্য। ৩/ নারীদের সেনেটারী নেপকিন,,চিরুনি,ব্রাশ,টুথপেস্ট,ওরস্যালাইন,সহ জরুরী প্রয়োজনীয় সামগ্রী ,এগুলো TIKA এর মাধ্যমে তুরস্কে পাঠানো হয়।
একই সাথে স্থানীয় ভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক কাজে সহযোগিতা করছেন এই সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন এর জন্য প্রতিবছর বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী পালন করা ,চিকিৎসায় অনুদান ( গোপন রাখা হয় ) , সাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে পশু পালন কর্মসূচি , ঈদে বস্ত্র বিতরণ করা হয়( দামি শাড়ি লুঙ্গি ,যা মাত্র মাত্র নয় মানুষ সত্যিকার অর্থে প্রয়োজন মেটাতে পারে আনন্দে ), মাদ্রাসায় ওযু ও পানির চাহিদা মেটাতে চাপ কল দেয়া, রমজান মাসে কুরআন শরীফ বিতরণ করা হয় বিনামূল্যে, ইফতার সামগ্রী বিতরন করা , দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা , রমজানে ইফতার করা ও শ্রমিকদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়। সমাজে পিছিয়ে পড়া নারীদের বিশেষ করে অবহেলিত এতিম ও দুস্থ কিশোরীদেরকে বিনামূল্যে সেলাই কাজ শেখানো হয়েছে। ফিলিস্তিন এর জন্য বিভিন্ন সংস্থায় অনুদান পাঠানো হয়েছে। এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক খরচ দিচ্ছে। শীত কালে শীত বস্ত্র বিতরণ যেমন ,কম্বল ও সোয়েটার দেয়ার পাশা-পাশি অটিজম ও পঙ্গু বাচ্চাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

চাল আমদানির শেষ সময়ে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১২৫৯ মেট্রিক টন আমদানি

পর্দার আড়ালে থেকে অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করছেন জিন্নাত আরা ইফা

Update Time : 10:18:55 am, Sunday, 12 April 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃতানভীর আহম্মেদ তামিম:-
জানুয়ারি মাসের ২য় সপ্তাহের দিকে শীতের ঘন কুয়াশার আমেজ মেখে কিশোরগঞ্জের মধ্যপাড়া গ্রামে এক মহীয়সীর কোল আলো করে পৃথিবীতে আগমন করেন, জিন্নাত আরা ইফা। নিভৃতচারী, প্রতিবাদী, স্বাধীনচেতা, সংস্কৃতমনা মানুষ। স্কুল জীবনেই তাঁর কবিতার যাত্রা শুরু। মুক্তির চেতনায় উদ্বুদ্ধ তিনি; স্বাধীনতায়, বোধে সতত জাগ্রত দেশ ভালোবাসা, প্রেম-বিরহ, মাটি ও মানুষ। এত বছর নিজেকে আড়ালে রেখেছেন বিভিন্ন কারণে। ‘হৃদয় ভাঙার শব্দ’ কবির প্রথম প্রকাশিত একক কাব্যগ্রন্থ।
তিনি শৈশব-কৈশোর কাটিয়েছেন গ্রামের পলিমাটির ঘ্রাণ মেখে। তাঁর স্কুল জীবনের দুরন্তপনা পার করেন ‘মধ্যপাড়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়’ থেকে। কলেজের মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা শেষ করেন ‘কটিয়াদী সরকারি কলেজ’ থেকে এরপর ‘উত্তরা ইউনিভার্সিটি’ থেকে এম.এ (ইংরেজি) শেষ করেন। পড়ার প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকায় তিনি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ থেকে এম.এস.এস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) করেন। জ্ঞান পিপাসার্ত কবি এখনো পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.বি পড়ছেন।

শীতের ঘন কুয়াশার বুক চিরে জানুয়ারীর ১৩ তারিখে উষ্ণতার পরশ নিয়ে কিশোরগঞ্জ এর মধ্যপাড়া গ্রামে এক মহীয়সীর কোল আলোকিত করে ধরণীতে আসেন, জিন্নাত আরা ইফা।
তিনি একজন তরুণ উদ্যোক্তা। তিনি ‘মিলিয়ন রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভলাপারস লিমিটেড’-এর পরিচালক। তিনি নিজ প্রচেষ্টায় জনকল্যাণমূলক এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘গ্রেট হার্ট ফাউন্ডেশন’ গড়ে তোলেন। তিনি বেশ কয়েকবছর স্কুল এবং কলেজে শিক্ষকতা করেন। তিনি লায়ন্স ক্লাবের একজন সম্মানিত সদস্য। সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন জনহিতৈষীমূলক কাজে জড়িত আছেন। তিনি একাধারে কবি, লেখক এবং কলামিস্ট। তিনি নিজ মেধায় বহু পুরস্কার অর্জন করেন।
তিনি বাংলা সাহিত্যে নতুনত্ব আনার চেষ্টায় ও সমাজের কুসংস্কার এবং ঝরাজীর্ণ দূর করার উদ্দেশ্যে সাহিত্যাঙ্গনে বিচরণ করে যাচ্ছেন।
বাংলা সাহিত্যে।
জিন্নাত আরা ইফা। তাঁর প্রথম একক কাব্য গ্রন্থ ‘হৃদয় ভাঙ্গার শব্দ’ ২০২৩ইং একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হয়। কবির দ্বিতীয় একক কাব্যগ্রন্থ ‘জয়তু’ । জিন্নাত আরা ইফা। পর্দার আড়ালে থেকে দেশে-বিদেশে ব্যাপক সামাজিক কাজ করছেন । নিরবে অসহায়দেরকে পাশে জিন্নাত আরা ইফা। ।
জিন্নাত আরা ইফা। বাংলাদেশের উন্নয়ন করার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, দেশী-বিদেশী সকল স্থানে ছুটে চলে যাচ্ছেন গরীব-অসহায় মানুষদেরকে সহযোগীতা করতে।
জিন্নাত আরা ইফা একেবারেই ছোট বয়স থেকে সামাজিক কাজ করছেন। এদিকে 2021 সালে প্রতিষ্ঠাতা করেন,গ্রেট হার্ট ফাউন্ডেশন নামক একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি বছর বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী পালন করেন তিনি। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৩ সালে যখন তুরস্কে ভূমিকম্প হয় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তখন গ্রেট হার্ট ফাউন্ডেশন – নারী শিশু ও সব বয়সের মানুষের জন্য ১৮, ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছিলেন । এদের মধ্যে ছিল ,১/ শিশুদের জন্য গুড়া দুধ,,ফিডার,নিপেল,বিস্কুট,কেক,কয়েক ধরনের। ২/ চিড়া ,গুড়,কফ চকলেট,বড়দের জন্য খাদ্য। ৩/ নারীদের সেনেটারী নেপকিন,,চিরুনি,ব্রাশ,টুথপেস্ট,ওরস্যালাইন,সহ জরুরী প্রয়োজনীয় সামগ্রী ,এগুলো TIKA এর মাধ্যমে তুরস্কে পাঠানো হয়।
একই সাথে স্থানীয় ভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক কাজে সহযোগিতা করছেন এই সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন এর জন্য প্রতিবছর বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী পালন করা ,চিকিৎসায় অনুদান ( গোপন রাখা হয় ) , সাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে পশু পালন কর্মসূচি , ঈদে বস্ত্র বিতরণ করা হয়( দামি শাড়ি লুঙ্গি ,যা মাত্র মাত্র নয় মানুষ সত্যিকার অর্থে প্রয়োজন মেটাতে পারে আনন্দে ), মাদ্রাসায় ওযু ও পানির চাহিদা মেটাতে চাপ কল দেয়া, রমজান মাসে কুরআন শরীফ বিতরণ করা হয় বিনামূল্যে, ইফতার সামগ্রী বিতরন করা , দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা , রমজানে ইফতার করা ও শ্রমিকদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়। সমাজে পিছিয়ে পড়া নারীদের বিশেষ করে অবহেলিত এতিম ও দুস্থ কিশোরীদেরকে বিনামূল্যে সেলাই কাজ শেখানো হয়েছে। ফিলিস্তিন এর জন্য বিভিন্ন সংস্থায় অনুদান পাঠানো হয়েছে। এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক খরচ দিচ্ছে। শীত কালে শীত বস্ত্র বিতরণ যেমন ,কম্বল ও সোয়েটার দেয়ার পাশা-পাশি অটিজম ও পঙ্গু বাচ্চাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।