
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: মোঃ আব্দুল বাছির
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরাইকৃত গাভী গরুসহ একটি চুরি মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে। পৃথক দুই অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া মোট পাঁচজনকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জেলা পুলিশ সুপারের সার্বিক নির্দেশনা এবং বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন মিয়া-এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) ইয়াছিন মিয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের মাধ্যমে চুরি ও সীমান্তসংক্রান্ত অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
অভিযানে বিশ্বম্ভরপুর থানার এফআইআর নং-১৩ (তারিখ: ১০ জুলাই ২০২৬), জিআর নং-১৬৪-এর চুরি মামলার আসামি মো. কালা মিয়া (৩০), পিতা- মো. তারেক মিয়া, গ্রাম- ভাটি লালপুর, থানা- জামালগঞ্জ, জেলা- সুনামগঞ্জকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে মামলার বাদীর চোরাইকৃত একটি গাভী গরু উদ্ধার করা হয়।
একই দিনে বিশ্বম্ভরপুর থানার এফআইআর নং-১৫ (তারিখ: ১১ জুলাই ২০২৬), জিআর নং-১৬৬-এ, বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(১)(ক) ও ১১(১)(গ) ধারায় দায়ের করা মামলায় অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— পারভিন বেগম (৪০), স্বামী কামাল মোল্যা, নড়াইল; মোছা. আকলিমা খাতুন (৪৪), স্বামী মনসুর গাজী, সাতক্ষীরা; পুতুল খানম (৩৯), পিতা রেজাউল শেখ, নড়াইল; এবং মোছা. রেবেকা খাতুন (৫১), পিতা মো. ইসমাইল মোল্যা, যশোর।
বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনকে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপরাধ দমন, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্ত এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
Reporter Name 

















