Dhaka 6:01 am, Saturday, 4 July 2026

শিক্ষকের কন্ঠস্বর, শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্যে দামুড়হুদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

‘শিক্ষকের কন্ঠস্বর, শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্যে দামুড়হুদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

‘শিক্ষকের কন্ঠস্বর, শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে।

আজ ৫ অক্টোবর (রবিবার), উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষক সমাজের যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষকদের অধিকার, দায়িত্ব ও শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে এই আয়োজনে উপজেলার সকল স্তরের শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে উপজেলা অডিটোরিয়াম থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি দামুড়হুদা উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।

এতে অংশগ্রহণ করেন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।
র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ ও শিক্ষা বিভাগের পদাধিকারীরা।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভূমি বিষয়ক কর্মকর্তা কে এইচ তাসফিকুর রহমান।

এছাড়াও, শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্য ও শিক্ষকদের করণীয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আতাউর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবু হাসান, এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান খান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ রাফিজুল ইসলাম। ইন্সট্রাক্টরবৃন্দ এবং অত্র উপজেলার সকল স্তরের শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষকদের মর্যাদা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র তাঁর বক্তব্যে শিক্ষকদের জাতি গঠনের কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “একটি উন্নত জাতি গঠনে শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম।

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণে তাঁদের নিবেদিত প্রচেষ্টাকে আমাদের সর্বোচ্চ সম্মান জানাতে হবে। আজকের প্রতিপাদ্যটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। শিক্ষকদের সম্মিলিত কন্ঠস্বরই শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতির ব্যবহারে প্রশিক্ষিত করে তুলতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে। শিক্ষকরা যেন যথাযথ মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পাঠদান করতে পারেন, সেদিকে লক্ষ্য রাখা আমাদের দায়িত্ব।”

আলোচনা সভায় শিক্ষক প্রতিনিধিরা তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষকদের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। তাঁরা গুণগত মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরের সহযোগিতা কামনা করেন।

শিক্ষকরা তাঁদের পেশাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও বেশি সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দও তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণে শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানান।

সবশেষে, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ রাফিজুল ইসলাম সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক সমাজ সন্তোষ প্রকাশ করে এবং প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজন করার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবলের সংকট সাধারণ রোগীদের চরম ভোগান্তি। মোঃ শাহ্ আলম সরকার স্টাফ রিপোর্টার। গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবলের দীর্ঘদিনের নানা সংকট, হসপিটালে জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় জরুরি চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়া এক দালালচক্রের তৎপরতায় সাধারণ রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রতিদিন কয়েকশ রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে এলেও সীমিত জনবল ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধার অভাবে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও স্বজনরা। ২ জুলাই রোজ বৃহস্পতিবার হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগে সকাল থেকেই রোগীদের দীর্ঘ সারি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রোগীরা একজন চিকিৎসককে একাধিক বিভাগের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শিশু, বয়স্ক ও নারী রোগীদের অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে চিকিৎসকের সাক্ষাৎ মিলেনা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যার এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদের মধ্যে বর্তমানে ১০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া তৃতীয় শ্রেণির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং চতুর্থ শ্রেণির প্রায় ৫০ শতাংশ পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে। ফলে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার অভাব। হাসপাতালে কোনো জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে জরুরি বিভাগ, নেবুলাইজার, অক্সিজেন সাপোর্টসহ বিদ্যুৎনির্ভর বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। অনেক সময় রোগীর স্বজনদের হাতপাখা দিয়ে রোগীদের বাতাস করতে দেখা যায়। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়। রেহেনা আক্তার নামের এক রোগী বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসক পাওয়া যায় না। পরে বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হয়। এতে আমাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল বাসেত বলেন, এত বড় উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও জনবল সংকট দীর্ঘদিনের। দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ একটি জেনারেটর স্থাপন করা না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। এদিকে হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১ জুলাই থেকে হাসপাতালের ১০ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এইচ.এম. ফখরুল হোসেন বলেন, কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, জনবল ও জেনারেটর সংকটের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। শূন্য পদ পূরণ জেনারেটর বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জরুরি ভিত্তিতে চিঠি পাঠানো হবে। হাসপাতালের সেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম, দালালচক্রের তৎপরতা বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যে হাসপাতালের নিরাপত্তা ও দালাল নিয়ন্ত্রণে ১০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন বলেন, চিকিৎসক ও জনবল সংকট সত্ত্বেও সীমিত জনবল নিয়ে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। শূন্য পদ পূরণ জেনারেটর বরাদ্দের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রতিদিন এ হাসপাতালে জরুরি প্রসূতি সেবা, নবজাতক ও শিশু চিকিৎসা, অক্সিজেন সাপোর্ট, টিকাদান, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়। কিন্তু জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেবার মান ধরে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

রাজপাড়ায় র‍্যাব-৫ এর অভিযান ১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

শিক্ষকের কন্ঠস্বর, শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্যে দামুড়হুদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

Update Time : 09:51:39 pm, Sunday, 5 October 2025

‘শিক্ষকের কন্ঠস্বর, শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্যে দামুড়হুদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

‘শিক্ষকের কন্ঠস্বর, শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে।

আজ ৫ অক্টোবর (রবিবার), উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষক সমাজের যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষকদের অধিকার, দায়িত্ব ও শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে এই আয়োজনে উপজেলার সকল স্তরের শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে উপজেলা অডিটোরিয়াম থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি দামুড়হুদা উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।

এতে অংশগ্রহণ করেন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।
র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ ও শিক্ষা বিভাগের পদাধিকারীরা।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভূমি বিষয়ক কর্মকর্তা কে এইচ তাসফিকুর রহমান।

এছাড়াও, শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্য ও শিক্ষকদের করণীয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আতাউর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবু হাসান, এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান খান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ রাফিজুল ইসলাম। ইন্সট্রাক্টরবৃন্দ এবং অত্র উপজেলার সকল স্তরের শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষকদের মর্যাদা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র তাঁর বক্তব্যে শিক্ষকদের জাতি গঠনের কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “একটি উন্নত জাতি গঠনে শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম।

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণে তাঁদের নিবেদিত প্রচেষ্টাকে আমাদের সর্বোচ্চ সম্মান জানাতে হবে। আজকের প্রতিপাদ্যটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। শিক্ষকদের সম্মিলিত কন্ঠস্বরই শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক শিক্ষণ পদ্ধতির ব্যবহারে প্রশিক্ষিত করে তুলতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে। শিক্ষকরা যেন যথাযথ মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পাঠদান করতে পারেন, সেদিকে লক্ষ্য রাখা আমাদের দায়িত্ব।”

আলোচনা সভায় শিক্ষক প্রতিনিধিরা তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষকদের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। তাঁরা গুণগত মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরের সহযোগিতা কামনা করেন।

শিক্ষকরা তাঁদের পেশাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও বেশি সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দও তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণে শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানান।

সবশেষে, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ রাফিজুল ইসলাম সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক সমাজ সন্তোষ প্রকাশ করে এবং প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজন করার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানায়।