Dhaka 3:59 am, Thursday, 24 September 2026

আশরাফ উদ্দিন নিজান কে রামগতি-কমলনগরবাসী এবার এমপি নয়,মন্ত্রী হিসেবে চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ কমলনগর(রামগতি) আসন থেকে বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তৃতীয় বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন এবি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। এই হ্যাট্রিক জয়ের পর এখন রামগতি ও কমলনগর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের দাবি তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই জনপ্রিয় নেতাকে নতুন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হোক।

স্থানীয় ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, নিজান কেবল একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, বরং মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখের বিশ্বস্ত নাম। বিগত সময়ে সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি রামগতি ও কমলনগরের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং চরাঞ্চলের মানুষে’র অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। এবার তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা’র চায়ের আড্ডায় তাঁকে ‘মন্ত্রী’ হিসেবে দেখার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

কেন তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে চায় জনতা? স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরছেন: ২০০১ এবং ২০০৮ সালের পর ২০২৬ সালের নির্বাচনেও তিনি বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করে নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও সংসদীয় অভিজ্ঞতায় তাঁকে মন্ত্রিসভা’র জন্য যোগ্য করে তুলেছে।

রামগতি ও কমলনগরের প্রধান সমস্যা মেঘনার নদী ভাঙন। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, তিনি মন্ত্রী হলে এই অঞ্চলের স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং মেঘনা উপকূলীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

অবহেলিত চরাঞ্চল ও উপকূলীয় জনপদের সামগ্রিক উন্নয়নে একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর অভাব দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছে এই এলাকার মানুষ।

উপজেলা বিএনপির একাধিক অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা জানান, “নিজান ভাই তিনবারের নির্বাচিত এমপি। তিনি দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের আগলে রেখেছেন এবং এলাকার উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। রামগতি-কমলনগরের মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া, আমাদের এই অভিভাবককে এবার মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে বৃহত্তর নোয়াখালী ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নের সুযোগ করে দেওয়া হোক।

আমরা শুধু এমপি নয়, এবার রামগতি-কমলনগর থেকে একজন মন্ত্রী চাই। নিজান সাহেবের হাত ধরে আমাদের এই অবহেলিত জনপদ বদলে যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

এখন দেখার বিষয়,
রামগতি ও কমলনগরবাসীর এই প্রাণের দাবি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কতটা গুরুত্ব পায়। তবে স্থানীয়’রা আশাবাদী, দলের নীতিনির্ধারক মহল তৃণমূলের এই দাবিকে গুরুত্ব সহকারে দেখবে এবং যথাযথ মূল্যায়ন করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

চন্দ্রিমা এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাং দমনে চন্দ্রিমা থানা পুলিশের কাছে এলাকাবাসীর স্মারকলিপি

আশরাফ উদ্দিন নিজান কে রামগতি-কমলনগরবাসী এবার এমপি নয়,মন্ত্রী হিসেবে চায়

Update Time : 06:42:34 pm, Tuesday, 17 February 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ কমলনগর(রামগতি) আসন থেকে বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তৃতীয় বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন এবি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। এই হ্যাট্রিক জয়ের পর এখন রামগতি ও কমলনগর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের দাবি তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই জনপ্রিয় নেতাকে নতুন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হোক।

স্থানীয় ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, নিজান কেবল একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, বরং মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখের বিশ্বস্ত নাম। বিগত সময়ে সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি রামগতি ও কমলনগরের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং চরাঞ্চলের মানুষে’র অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। এবার তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা’র চায়ের আড্ডায় তাঁকে ‘মন্ত্রী’ হিসেবে দেখার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

কেন তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে চায় জনতা? স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরছেন: ২০০১ এবং ২০০৮ সালের পর ২০২৬ সালের নির্বাচনেও তিনি বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করে নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও সংসদীয় অভিজ্ঞতায় তাঁকে মন্ত্রিসভা’র জন্য যোগ্য করে তুলেছে।

রামগতি ও কমলনগরের প্রধান সমস্যা মেঘনার নদী ভাঙন। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, তিনি মন্ত্রী হলে এই অঞ্চলের স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং মেঘনা উপকূলীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

অবহেলিত চরাঞ্চল ও উপকূলীয় জনপদের সামগ্রিক উন্নয়নে একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর অভাব দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছে এই এলাকার মানুষ।

উপজেলা বিএনপির একাধিক অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা জানান, “নিজান ভাই তিনবারের নির্বাচিত এমপি। তিনি দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের আগলে রেখেছেন এবং এলাকার উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। রামগতি-কমলনগরের মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া, আমাদের এই অভিভাবককে এবার মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে বৃহত্তর নোয়াখালী ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নের সুযোগ করে দেওয়া হোক।

আমরা শুধু এমপি নয়, এবার রামগতি-কমলনগর থেকে একজন মন্ত্রী চাই। নিজান সাহেবের হাত ধরে আমাদের এই অবহেলিত জনপদ বদলে যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

এখন দেখার বিষয়,
রামগতি ও কমলনগরবাসীর এই প্রাণের দাবি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কতটা গুরুত্ব পায়। তবে স্থানীয়’রা আশাবাদী, দলের নীতিনির্ধারক মহল তৃণমূলের এই দাবিকে গুরুত্ব সহকারে দেখবে এবং যথাযথ মূল্যায়ন করবে।