
নিজস্ব প্রতিবেদক:মিসেস চামেলী আক্তার প্রিয়া
আসন্ন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা ধরনের আলোচনা, মতবিনিময় ও জনমত যাচাই। এরই মধ্যে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে জননন্দিত সমাজসেবক মোঃ মেহেদী সিকদার রানা-কে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের আগ্রহ, প্রত্যাশা ও আলোচনা দিন দিন বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা, ক্রীড়া, ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করা এবং বিভিন্ন সংকটময় সময়ে মানুষের পাশে থাকার কারণে তিনি এলাকায় একটি পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
এলাকাবাসীর মতে, জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেই সাধারণ মানুষের পাশে থেকে যেভাবে তিনি সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তা তাকে অন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তুলনায় আলাদা অবস্থানে নিয়ে গেছে। ব্যক্তিগত লাভ-লোকসানের চিন্তা না করে মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে তিনি তরুণ ও প্রবীণ—উভয় শ্রেণির মানুষের কাছেই প্রশংসিত।
বিশেষ করে এলাকার তরুণদের মধ্যে মেহেদী সিকদার রানার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য। তারা মনে করেন, একজন উদ্যমী, শিক্ষিত, সৎ ও কর্মঠ নেতৃত্বই আগামী দিনের উন্নত ও আধুনিক ওয়ার্ড গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের প্রত্যাশা, নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি নির্বাচিত হলে নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম, যুব উন্নয়ন, খেলাধুলা ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
এ বিষয়ে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ মেহেদী সিকদার রানা বলেন,
«“ক্ষমতা অর্জন আমার মূল লক্ষ্য নয়; মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও দোয়া অর্জনই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। জনগণ যদি তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, দুর্নীতিমুক্ত ও নাগরিকবান্ধব ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করব। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং সবার অংশগ্রহণে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখাই হবে আমার অঙ্গীকার।”»
তিনি আরও বলেন, জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন, নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধান, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করতে চান।
এলাকার প্রবীণ ও সচেতন নাগরিকদের একাংশ জানান, জনগণ এখন এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান, যিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, বছরের প্রতিটি দিন মানুষের পাশে থাকবেন। তারা মনে করেন, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, সততা ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে পারলেই একজন জনপ্রতিনিধি জনগণের প্রকৃত আস্থা অর্জন করতে পারেন।
অন্যদিকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগেই ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন মহল্লা, চায়ের দোকান, সামাজিক আড্ডা ও জনসমাগমস্থলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা জমে উঠেছে। স্থানীয় অনেকের ভাষ্য, সেই আলোচনায় মোঃ মেহেদী সিকদার রানার নাম উল্লেখযোগ্যভাবে উঠে আসছে এবং অনেক ভোটার তার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করছেন।
তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ভোটাররাই। নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা, প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন এবং ভোটগ্রহণ শেষে জনগণের রায়ের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি।
বর্তমানে নির্বাচনকে সামনে রেখে পুরো ওয়ার্ডজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিভিন্ন গণসংযোগ, শুভেচ্ছা বিনিময় ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণে নির্বাচন ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ আরও বাড়ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হলে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জমে উঠবে এবং শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়ই নির্ধারণ করবে কে হবেন আগামী দিনের কাউন্সিলর।
— সমাপ্ত —
মিসেস চামেলী আক্তার প্রিয়া 

























