
নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ শামীম শাহরীয়ার:-
ইউটিউবার, ব্লগার ও বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা অনেক সময় মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ ভিউ বৃদ্ধি এবং জনপ্রিয়তা অর্জনের উদ্দেশ্যে মনগড়া বা যাচাইবিহীন তথ্য প্রকাশ করে থাকে। ভিউ বৃদ্ধি পেলে তাদের আয়ও বৃদ্ধি পায়, ফলে অনেক ক্ষেত্রে সত্যতা যাচাইয়ের চেয়ে আলোচনায় আসাই তাদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। কারো ব্যক্তিগত চরিত্র বা সম্মান ক্ষুণ্ন হলেও সেটি তাদের কাছে বড় বিষয় হয়ে ওঠে না।
অন্যদিকে প্রকৃত মূলধারার সাংবাদিকতা সম্পূর্ণ ভিন্ন নীতিমালার উপর পরিচালিত হয়। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক কোনো সংবাদ প্রকাশের পূর্বে ঘটনার সত্যতা শতভাগ যাচাই-বাছাই করেন এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেন। কারণ মূলধারার গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো সংবাদে অসত্য, বিভ্রান্তিকর বা কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য থাকলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহিতার আওতায় আসতে হয়। এই জবাবদিহিতা ও নৈতিক দায়বদ্ধতার কারণেই মূলধারার সাংবাদিকরা ইচ্ছামতো সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন না; বরং বস্তুনিষ্ঠতা, দায়িত্ববোধ ও পেশাগত নীতিমালার মধ্য দিয়েই সংবাদ পরিবেশন করেন।
বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠক, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত মিডিয়া তালিকাভুক্ত জাতীয় দৈনিক ঐশী বাংলা পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি মোহাম্মদ শামীম শাহরিয়ার মনে করেন, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই একটি জাতির সচেতনতা গঠনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তিনি বলেন, সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ একটি ভুল বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ শুধু একজন ব্যক্তির নয়, পুরো সমাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রকৃত সাংবাদিকদের উচিত পেশাগত সততা বজায় রেখে জনগণের কাছে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়া।
মোঃ শামীম শাহরীয়ার 



















