Dhaka 7:01 am, Wednesday, 22 July 2026

ওয়াজ মাহফিলের ঘোষণা,অর্থ সংগ্রহ কিন্তু নেই কোনো আয়োজন”এটা কি ধর্মের কাজ

ওয়াজ মাহফিলের ঘোষণা,অর্থ সংগ্রহ কিন্তু নেই কোনো আয়োজন”এটা কি ধর্মের কাজ

রোকসানা আক্তার নিজস্ব প্রতিবেদক,

গাজীপুর মহানগর ১৬ নং ওয়ার্ডের মিফতাহুল উলুম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার মুহতামিম ও পরিচালনায় পরিষদের যৌথ উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিলের নামে আয়োজিত অর্থ সংগ্রহের মহোৎসবে গত বছরের ন্যায় এবারও সটকে পড়ার ছক মাদ্রাসা পরিচালকের।
গাজীপুর চৌরাস্তার পাকিস্তান গার্মেন্টস সংলগ্ন ‘মিফতাহুল উলুম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’। নাম শুনে আধুনিক ও দ্বীনি শিক্ষার সমন্বিত প্রতিষ্ঠান মনে হলেও, গত এক মাস ধরে এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে জনমনে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও সন্দেহ। আগামী ১৮ ডিসেম্বর একটি ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করার কথা বলে মাসব্যাপী এক বিশাল অর্থ উত্তোলন কার্যক্রম চালাচ্ছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তবে মাহফিলের ঠিক আগের দিনও এলাকায় কোনো ধরনের প্রস্তুতি না থাকায় স্থানীয়দের মনে দেখা দিয়েছে এক বড় প্রশ্ন—এটি কি ধর্মীয় আয়োজন, নাকি সুপরিকল্পিত কোনো প্রতারণা?
৮টি গ্রুপে চলছে প্রকাশ্য ‘চাঁদাবাজি’
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা সফির উদ্দিনের নির্দেশে বর্তমানে ৮টি আলাদা গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রতিটি গ্রুপে ৩ থেকে ৪ জন সদস্য রয়েছেন, যারা গত এক মাস ধরে গাজীপুর চৌরাস্তা, পাকিস্তান গার্মেন্টস এলাকা, বিভিন্ন কাঁচাবাজার, রাস্তাঘাট এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মাহফিলের রসিদ দিয়ে টাকা তুলছেন। এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ধর্মীয় আবেগে আপ্লুত হয়ে দান করছেন। অথচ এই বিশাল অংকের টাকার কোনো হিসাব বা মাহফিলের কোনো দৃশ্যমান তোড়জোড় নেই বললেই চলে।
পুলিশের রহস্যজনক মধ্যস্থতার
সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে যখন বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান শুরু করেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সরাসরি কথা না বলে মাওলানা সফির উদ্দিন কৌশলের আশ্রয় নেন। বাসন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পরিচয়ে সাংবাদিকদের ফোন করেন। চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো উল্লেখিত কোনো সরকারি ফোন নম্বর নয়, বরং মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা সফির উদ্দিনের ব্যক্তিগত ফোন থেকেই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন কথিত এস আই ।
ফোনে তিনি নিজেকে উক্ত পরিচালকের এলাকার মানুষ হিসেবে পরিচয় দেন এবং বিষয়টি নিয়ে রাত ১০টার সময় ব্যক্তিগতভাবে দেখা করতে বলেন। সাংবাদিকরা পেশাগত কারণে পরদিন সকাল ১০টায় দেখা করার প্রস্তাব দিলে তিনি রাজি হন। কিন্তু পরদিন সকালে তাকে ফোন করা হলে তিনি ফের সময়ক্ষেপণ করেন এবং জানান যে, তিনি পরদিন দেখা করবেন। পুলিশের একজন কর্মকর্তার এভাবে একজন অভিযুক্ত পরিচালকের ব্যক্তিগত ফোন ব্যবহার করে ‘তদবির’ করা এবং দেখা করতে গড়িমসি করা নিয়ে জনমনে নানা রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে সাংবাদিকরা এখন পর্যন্ত পুলিশের সাথে কোনো আনুষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক যোগাযোগ করেন নি।
পুলিশ কর্মকর্তার নাম করে রহস্যময় ফুনের ব্যর্থ চেষ্টার পর এবার মাঠে নামেন ফুনের অগোচরে পরিচয় দেয়া কথিত সাংবাদিক , যিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের হয়ে দালালি শুরু করেন। তিনি সাংবাদিকদের সাথে দেখা করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তবে আমাদের প্রতিনিধি একটি অন্য প্রোগ্রামে থাকায় ২ ঘণ্টা পর দেখা করতে চাইলে সাংবাদিক রহস্য জনক ভাবে পিছিয়ে যান। ২ ঘণ্টা পর তাকে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন, ‘ফোনেই কথা বলবেন পরে’, এবং এরপর আর কোনো যোগাযোগ করেননি।
পুরনো কলঙ্ক: নাম পাল্টে নতুন এলাকায় প্রতারণা
অনুসন্ধানে মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা সফির উদ্দিনের অন্ধকার অতীতের হদিস মিলেছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যমতে, গত বছরও তিনি অন্য একটি এলাকায় ঠিক একইভাবে একই মাদ্রাসার ব্যানারে মাহফিলের নামে বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। মাহফিলের দিন ঘনিয়ে এলে দেখা যায় কোনো প্যান্ডেল বা মেহমান আপ্যায়নের ব্যবস্থা নেই। মাহফিলের দিন যখন এলাকাবাসী এবং দানকারীরা মাদ্রাসায় আসেন, তখন দেখেন মাদ্রাসায় তালা ঝুলছে। মাওলানা সফির উদ্দিনের ফোন ছিল বন্ধ।
সেই এলাকায় কোটি টাকার কেলেঙ্কারি ঘটিয়ে তিনি বর্তমান ঠিকানায় (পাকিস্তান গার্মেন্টস সংলগ্ন এলাকা) এসে নতুন করে বাসা ভাড়া নিয়ে একই কার্যক্রম শুরু করেছেন। বর্তমান ভাড়া বাড়ির মালিককে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “আমি শুনেছি তারা মাহফিল করবে, কিন্তু কোথায় করবে বা কীভাবে করবে—তার কিছুই আমাকে জানায়নি। কোনো মাইকিং বা পোস্টারিংও আমার চোখে পড়েনি।”
কালকের মাহফিল নিয়ে শঙ্কা
আগামীকাল ১৮ ডিসেম্বর মাহফিলের তারিখ নির্ধারিত। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো প্যান্ডেল তৈরি হয়নি, এমনকি কোনো বিশেষ অতিথি আসার ব্যাপারেও এলাকাটি নীরব। মাদ্রাসা পরিচালকের সাথে যোগাযোগের জন্য বারবার চেষ্টা করা হলেও তিনি প্রতিবারই দেখা করবেন বলে আশ্বাস দেন, কিন্তু পরে সটকে পড়েন।
এলাকাবাসীর স্পষ্ট অভিযোগ, মাওলানা সফির উদ্দিন মূলত এবারও টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সময়ক্ষেপণ করছেন। গত বছরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এই এলাকায়ও ঘটতে যাচ্ছে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং সাধারণ মানুষের কষ্টের উপার্জিত অর্থ উদ্ধারে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
গাজীপুরের সচেতন মহল মনে করছেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে না, বরং পবিত্র ওয়াজ মাহফিলের মতো আয়োজনকেও কলঙ্কিত করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

খালের পানিতে ভাসমান দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী যুবকের লাশ উদ্ধার

ওয়াজ মাহফিলের ঘোষণা,অর্থ সংগ্রহ কিন্তু নেই কোনো আয়োজন”এটা কি ধর্মের কাজ

Update Time : 12:51:59 am, Thursday, 18 December 2025

ওয়াজ মাহফিলের ঘোষণা,অর্থ সংগ্রহ কিন্তু নেই কোনো আয়োজন”এটা কি ধর্মের কাজ

রোকসানা আক্তার নিজস্ব প্রতিবেদক,

গাজীপুর মহানগর ১৬ নং ওয়ার্ডের মিফতাহুল উলুম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার মুহতামিম ও পরিচালনায় পরিষদের যৌথ উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিলের নামে আয়োজিত অর্থ সংগ্রহের মহোৎসবে গত বছরের ন্যায় এবারও সটকে পড়ার ছক মাদ্রাসা পরিচালকের।
গাজীপুর চৌরাস্তার পাকিস্তান গার্মেন্টস সংলগ্ন ‘মিফতাহুল উলুম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’। নাম শুনে আধুনিক ও দ্বীনি শিক্ষার সমন্বিত প্রতিষ্ঠান মনে হলেও, গত এক মাস ধরে এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে জনমনে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও সন্দেহ। আগামী ১৮ ডিসেম্বর একটি ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করার কথা বলে মাসব্যাপী এক বিশাল অর্থ উত্তোলন কার্যক্রম চালাচ্ছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তবে মাহফিলের ঠিক আগের দিনও এলাকায় কোনো ধরনের প্রস্তুতি না থাকায় স্থানীয়দের মনে দেখা দিয়েছে এক বড় প্রশ্ন—এটি কি ধর্মীয় আয়োজন, নাকি সুপরিকল্পিত কোনো প্রতারণা?
৮টি গ্রুপে চলছে প্রকাশ্য ‘চাঁদাবাজি’
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা সফির উদ্দিনের নির্দেশে বর্তমানে ৮টি আলাদা গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রতিটি গ্রুপে ৩ থেকে ৪ জন সদস্য রয়েছেন, যারা গত এক মাস ধরে গাজীপুর চৌরাস্তা, পাকিস্তান গার্মেন্টস এলাকা, বিভিন্ন কাঁচাবাজার, রাস্তাঘাট এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মাহফিলের রসিদ দিয়ে টাকা তুলছেন। এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ধর্মীয় আবেগে আপ্লুত হয়ে দান করছেন। অথচ এই বিশাল অংকের টাকার কোনো হিসাব বা মাহফিলের কোনো দৃশ্যমান তোড়জোড় নেই বললেই চলে।
পুলিশের রহস্যজনক মধ্যস্থতার
সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে যখন বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান শুরু করেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সরাসরি কথা না বলে মাওলানা সফির উদ্দিন কৌশলের আশ্রয় নেন। বাসন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পরিচয়ে সাংবাদিকদের ফোন করেন। চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো উল্লেখিত কোনো সরকারি ফোন নম্বর নয়, বরং মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা সফির উদ্দিনের ব্যক্তিগত ফোন থেকেই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন কথিত এস আই ।
ফোনে তিনি নিজেকে উক্ত পরিচালকের এলাকার মানুষ হিসেবে পরিচয় দেন এবং বিষয়টি নিয়ে রাত ১০টার সময় ব্যক্তিগতভাবে দেখা করতে বলেন। সাংবাদিকরা পেশাগত কারণে পরদিন সকাল ১০টায় দেখা করার প্রস্তাব দিলে তিনি রাজি হন। কিন্তু পরদিন সকালে তাকে ফোন করা হলে তিনি ফের সময়ক্ষেপণ করেন এবং জানান যে, তিনি পরদিন দেখা করবেন। পুলিশের একজন কর্মকর্তার এভাবে একজন অভিযুক্ত পরিচালকের ব্যক্তিগত ফোন ব্যবহার করে ‘তদবির’ করা এবং দেখা করতে গড়িমসি করা নিয়ে জনমনে নানা রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে সাংবাদিকরা এখন পর্যন্ত পুলিশের সাথে কোনো আনুষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক যোগাযোগ করেন নি।
পুলিশ কর্মকর্তার নাম করে রহস্যময় ফুনের ব্যর্থ চেষ্টার পর এবার মাঠে নামেন ফুনের অগোচরে পরিচয় দেয়া কথিত সাংবাদিক , যিনি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের হয়ে দালালি শুরু করেন। তিনি সাংবাদিকদের সাথে দেখা করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তবে আমাদের প্রতিনিধি একটি অন্য প্রোগ্রামে থাকায় ২ ঘণ্টা পর দেখা করতে চাইলে সাংবাদিক রহস্য জনক ভাবে পিছিয়ে যান। ২ ঘণ্টা পর তাকে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন, ‘ফোনেই কথা বলবেন পরে’, এবং এরপর আর কোনো যোগাযোগ করেননি।
পুরনো কলঙ্ক: নাম পাল্টে নতুন এলাকায় প্রতারণা
অনুসন্ধানে মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা সফির উদ্দিনের অন্ধকার অতীতের হদিস মিলেছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যমতে, গত বছরও তিনি অন্য একটি এলাকায় ঠিক একইভাবে একই মাদ্রাসার ব্যানারে মাহফিলের নামে বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। মাহফিলের দিন ঘনিয়ে এলে দেখা যায় কোনো প্যান্ডেল বা মেহমান আপ্যায়নের ব্যবস্থা নেই। মাহফিলের দিন যখন এলাকাবাসী এবং দানকারীরা মাদ্রাসায় আসেন, তখন দেখেন মাদ্রাসায় তালা ঝুলছে। মাওলানা সফির উদ্দিনের ফোন ছিল বন্ধ।
সেই এলাকায় কোটি টাকার কেলেঙ্কারি ঘটিয়ে তিনি বর্তমান ঠিকানায় (পাকিস্তান গার্মেন্টস সংলগ্ন এলাকা) এসে নতুন করে বাসা ভাড়া নিয়ে একই কার্যক্রম শুরু করেছেন। বর্তমান ভাড়া বাড়ির মালিককে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “আমি শুনেছি তারা মাহফিল করবে, কিন্তু কোথায় করবে বা কীভাবে করবে—তার কিছুই আমাকে জানায়নি। কোনো মাইকিং বা পোস্টারিংও আমার চোখে পড়েনি।”
কালকের মাহফিল নিয়ে শঙ্কা
আগামীকাল ১৮ ডিসেম্বর মাহফিলের তারিখ নির্ধারিত। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো প্যান্ডেল তৈরি হয়নি, এমনকি কোনো বিশেষ অতিথি আসার ব্যাপারেও এলাকাটি নীরব। মাদ্রাসা পরিচালকের সাথে যোগাযোগের জন্য বারবার চেষ্টা করা হলেও তিনি প্রতিবারই দেখা করবেন বলে আশ্বাস দেন, কিন্তু পরে সটকে পড়েন।
এলাকাবাসীর স্পষ্ট অভিযোগ, মাওলানা সফির উদ্দিন মূলত এবারও টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সময়ক্ষেপণ করছেন। গত বছরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এই এলাকায়ও ঘটতে যাচ্ছে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং সাধারণ মানুষের কষ্টের উপার্জিত অর্থ উদ্ধারে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
গাজীপুরের সচেতন মহল মনে করছেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে না, বরং পবিত্র ওয়াজ মাহফিলের মতো আয়োজনকেও কলঙ্কিত করছে।