Dhaka 1:09 pm, Wednesday, 22 July 2026

বগুড়াতেও জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

বগুড়াতেও জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

মোস্তফা আল মাসুদ,বগুড়া

 

বগুড়ায় গতকাল সারাদেশের ন্যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল ঐতিহাসিক সাতমাথার পাশে পৌর এ্যাডওয়ার্ড পার্কে বিকাল ৪টার সময় বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের নিবন্ধন ও প্রতিক ফিরে পাওয়া এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবি-দাওয়াসহ একাধিক দাবি তুলে ধরে বিক্ষোভে ফেটে পরে হাজার হাজার নেতাকর্মিরা।

 

এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ১৮ই ফেব্রুয়ারি সারা দেশের ন্যায় বগুড়ার ঐতিহাসিক সাতমাথার পাশে পৌর এ্যাডওয়ার্ড পার্কে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল। উক্ত কর্মসূচী সফল করতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি জানায় যে, আগামীকাল ১৮ই ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল জেলা-মহানগর এবং সব জেলায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৪টায় পল্টন মোড়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন আমির জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।

 

 

 

উক্ত বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন যে, সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম বিগত ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে আটক আছেন। তাকে বারবার রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েক বার গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তাকে ন্যূনতম চিকিৎসা সেবা টুকুও দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, দেশবাসী আশা করেছিল যে, চরম জুলুম-নির্যাতনের শিকার এটিএম আজহারুল ইসলাম স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে মুক্তি লাভ করবে।

পতিত ফ্যাসিবাদ দোসর সরকার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন গত ২০ই এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ কিন্তু অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের ৬ মাস ৯ দিন অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলের বিচারিক কার্যক্রম সমূহ সারা বিশ্বে বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ ও প্রত্যাখ্যাত। স্বৈরাচারের আমলে গ্রেফতারকৃত এটিএম আজহারুল ইসলামকে কারাগারে আটক রাখা তার প্রতি চরম জুলুম ও অন্যায় অত্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে তাকে এখনো আটক রাখায় জাতি বিস্মিত ও হতবাক হয়েছে।

 

 

এই পরিস্থিতিতে মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সারাদেশে ন্যায় বগুড়াতেও আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল সর্বতো ভাবে সফল করার জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে তিনি বলেন যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের এই প্রথম বগুড়ার ইতিহাসে সবচেয়ে এতো বড় বিক্ষোভ মিছিল করে। দলের নিবন্ধন ফিরে পাওয়া এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে-মুক্তি নিয়ে কোন রকম টালবাহানা সহ্য করা হবে না বলেও সমাবেশে হুশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। সমাবেশ শেষে বিশাল মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। হাজার হাজার নেতাকর্মি ও সাধারন মানুষ বিক্ষোভ মিছিলে অংশ গ্রহন করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

খালের পানিতে ভাসমান দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী যুবকের লাশ উদ্ধার

বগুড়াতেও জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

Update Time : 08:24:43 pm, Tuesday, 18 February 2025

বগুড়াতেও জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

মোস্তফা আল মাসুদ,বগুড়া

 

বগুড়ায় গতকাল সারাদেশের ন্যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল ঐতিহাসিক সাতমাথার পাশে পৌর এ্যাডওয়ার্ড পার্কে বিকাল ৪টার সময় বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের নিবন্ধন ও প্রতিক ফিরে পাওয়া এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবি-দাওয়াসহ একাধিক দাবি তুলে ধরে বিক্ষোভে ফেটে পরে হাজার হাজার নেতাকর্মিরা।

 

এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ১৮ই ফেব্রুয়ারি সারা দেশের ন্যায় বগুড়ার ঐতিহাসিক সাতমাথার পাশে পৌর এ্যাডওয়ার্ড পার্কে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল। উক্ত কর্মসূচী সফল করতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি জানায় যে, আগামীকাল ১৮ই ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল জেলা-মহানগর এবং সব জেলায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৪টায় পল্টন মোড়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের নেতৃত্ব দেবেন আমির জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।

 

 

 

উক্ত বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন যে, সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম বিগত ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাগারে আটক আছেন। তাকে বারবার রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েক বার গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তাকে ন্যূনতম চিকিৎসা সেবা টুকুও দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, দেশবাসী আশা করেছিল যে, চরম জুলুম-নির্যাতনের শিকার এটিএম আজহারুল ইসলাম স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে মুক্তি লাভ করবে।

পতিত ফ্যাসিবাদ দোসর সরকার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন গত ২০ই এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ কিন্তু অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের ৬ মাস ৯ দিন অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলের বিচারিক কার্যক্রম সমূহ সারা বিশ্বে বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ ও প্রত্যাখ্যাত। স্বৈরাচারের আমলে গ্রেফতারকৃত এটিএম আজহারুল ইসলামকে কারাগারে আটক রাখা তার প্রতি চরম জুলুম ও অন্যায় অত্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে তাকে এখনো আটক রাখায় জাতি বিস্মিত ও হতবাক হয়েছে।

 

 

এই পরিস্থিতিতে মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সারাদেশে ন্যায় বগুড়াতেও আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল সর্বতো ভাবে সফল করার জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে তিনি বলেন যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের এই প্রথম বগুড়ার ইতিহাসে সবচেয়ে এতো বড় বিক্ষোভ মিছিল করে। দলের নিবন্ধন ফিরে পাওয়া এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে-মুক্তি নিয়ে কোন রকম টালবাহানা সহ্য করা হবে না বলেও সমাবেশে হুশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। সমাবেশ শেষে বিশাল মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। হাজার হাজার নেতাকর্মি ও সাধারন মানুষ বিক্ষোভ মিছিলে অংশ গ্রহন করে।