Dhaka 8:02 pm, Tuesday, 16 June 2026

মানবাধিকার, সাংবাদিকতা ও শাহজাহান বাশারের পথচলা

  • Reporter Name
  • Update Time : 06:38:04 pm, Tuesday, 16 June 2026
  • 27 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংবাদিকতা কেবল সংবাদ পরিবেশনের একটি পেশা নয়; এটি সমাজের বিবেক হিসেবে কাজ করার এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সমাজের অসঙ্গতি, অনিয়ম, দুর্নীতি, বৈষম্য ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের কথা তুলে ধরে জনমত গঠন করাই একজন সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। এই দায়িত্ববোধ থেকেই দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা, মানবাধিকার ও সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সম্পাদক **মো. শাহজাহান বাশার**।

মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতা দিয়ে তার পেশাগত যাত্রা শুরু। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা, সামাজিক সংকট এবং বিভিন্ন অনিয়ম-অবিচারের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তৃণমূল মানুষের জীবনসংগ্রামের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার কারণে তার লেখনীতে বাস্তবতার প্রতিফলন স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

বর্তমানে তিনি বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ, ফিচার, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, কলাম এবং মতামতধর্মী লেখা প্রকাশের মাধ্যমে সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম **দৈনিক জনতার মতামত**-এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও **দৈনিক সরেজমিন**, **সময় এডিশন**, **দৈনিক ঢাকার বার্তা**, **দৈনিক ঢাকার বার্তা ২৪**, **কুমিল্লা মিডিয়া ২৪**সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তিনি নিয়মিত সংবাদ ও কলাম লিখে আসছেন।

ডিজিটাল সাংবাদিকতার এই যুগে মো. শাহজাহান বাশার কেবল প্রচলিত গণমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নন; অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও তিনি নিজের পরিচিতি ও কর্মপরিধি বিস্তৃত করেছেন। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, কলাম, সম্পাদকীয় এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি গুগলসহ আন্তর্জাতিক সার্চ প্ল্যাটফর্মগুলোতেও নিজের পেশাগত পরিচয়ের উপস্থিতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে একজন সাংবাদিকের কাজ ও পরিচয় যখন ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত ও অনুসন্ধানযোগ্য হয়ে ওঠে, তখন তা তার দীর্ঘদিনের কর্মনিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব এবং গণমাধ্যমে সক্রিয় অবদানেরই প্রতিফলন বহন করে।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি সমসাময়িক রাজনীতি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সামাজিক সংকট, দুর্নীতি, মাদকবিরোধী আন্দোলন এবং জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কলাম ও মতামতধর্মী প্রবন্ধ লিখে থাকেন। তার লেখার মূল শক্তি হলো সহজ-সরল ভাষা, তথ্যভিত্তিক উপস্থাপন এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি কলাম শুধু মতামত প্রকাশের মাধ্যম নয়; বরং সমাজকে ভাবতে শেখানোর একটি শক্তিশালী উপকরণ।

শাহজাহান বাশারের মতে, সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো বস্তুনিষ্ঠতা, সততা এবং জনস্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধতা। তিনি বলেন, “একজন সাংবাদিকের পরিচয় তার পেশাদারিত্বে। সাংবাদিক কোনো নির্দিষ্ট সমাজ, গোষ্ঠী, শ্রেণি কিংবা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নন। তিনি সত্য ও তথ্যের প্রতিনিধি। তাই সাংবাদিকদের উচিত দলীয় বা ব্যক্তিগত অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে আত্মমর্যাদা, পেশাগত নীতিবোধ এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে কাজ করা।”

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে তিনি দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমে আরও বৃহত্তর পরিসরে কাজ করতে চান। তার ভাষায়, “আমি শুধু একটি জেলা বা নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। আমি চাই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ, যাতে বৃহত্তর পরিসরে সত্য ও বাস্তবতা তুলে ধরা যায়। একজন সাংবাদিক যত বিস্তৃত পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাবেন, ততই সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রকৃত চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে।”

একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মূল্যবোধকে গভীরভাবে ধারণ করেন। তিনি মনে করেন, সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজে বিভেদ নয়, বরং মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।

মাদক, ইভটিজিং, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, দুর্নীতি ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার। তার মতে, সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো যুবসমাজ। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যুবকরাই পারে মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে। যুবসমাজ যদি সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে, তাহলে মাদক, ধর্ষণ, দুর্নীতি এবং অন্যান্য অসামাজিক কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব।”

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতিও তিনি গঠনমূলক রাজনীতির আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, প্রতিহিংসা, বিভাজন এবং সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে জাতীয় স্বার্থ, জনগণের কল্যাণ এবং উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু তা যেন কখনো জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতির পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

পরিশেষে তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়। এটি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকারকে ধারণ করেই মো. শাহজাহান বাশার দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার, জনস্বার্থ, সামাজিক সচেতনতা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা করে চলেছেন। সত্য, ন্যায়, মানবিক মূল্যবোধ এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যম চর্চার মাধ্যমে তিনি ভবিষ্যতেও সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশাই পাঠকসমাজ ও সংশ্লিষ্ট মহলের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাজশাহীর কালাই রুটি খেয়ে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বললেন দারুণ মজা’

মানবাধিকার, সাংবাদিকতা ও শাহজাহান বাশারের পথচলা

Update Time : 06:38:04 pm, Tuesday, 16 June 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংবাদিকতা কেবল সংবাদ পরিবেশনের একটি পেশা নয়; এটি সমাজের বিবেক হিসেবে কাজ করার এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সমাজের অসঙ্গতি, অনিয়ম, দুর্নীতি, বৈষম্য ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের কথা তুলে ধরে জনমত গঠন করাই একজন সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। এই দায়িত্ববোধ থেকেই দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা, মানবাধিকার ও সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সম্পাদক **মো. শাহজাহান বাশার**।

মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতা দিয়ে তার পেশাগত যাত্রা শুরু। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা, সামাজিক সংকট এবং বিভিন্ন অনিয়ম-অবিচারের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। তৃণমূল মানুষের জীবনসংগ্রামের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার কারণে তার লেখনীতে বাস্তবতার প্রতিফলন স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

বর্তমানে তিনি বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ, ফিচার, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, কলাম এবং মতামতধর্মী লেখা প্রকাশের মাধ্যমে সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম **দৈনিক জনতার মতামত**-এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও **দৈনিক সরেজমিন**, **সময় এডিশন**, **দৈনিক ঢাকার বার্তা**, **দৈনিক ঢাকার বার্তা ২৪**, **কুমিল্লা মিডিয়া ২৪**সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তিনি নিয়মিত সংবাদ ও কলাম লিখে আসছেন।

ডিজিটাল সাংবাদিকতার এই যুগে মো. শাহজাহান বাশার কেবল প্রচলিত গণমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নন; অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও তিনি নিজের পরিচিতি ও কর্মপরিধি বিস্তৃত করেছেন। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, কলাম, সম্পাদকীয় এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি গুগলসহ আন্তর্জাতিক সার্চ প্ল্যাটফর্মগুলোতেও নিজের পেশাগত পরিচয়ের উপস্থিতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে একজন সাংবাদিকের কাজ ও পরিচয় যখন ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত ও অনুসন্ধানযোগ্য হয়ে ওঠে, তখন তা তার দীর্ঘদিনের কর্মনিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব এবং গণমাধ্যমে সক্রিয় অবদানেরই প্রতিফলন বহন করে।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি সমসাময়িক রাজনীতি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সামাজিক সংকট, দুর্নীতি, মাদকবিরোধী আন্দোলন এবং জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কলাম ও মতামতধর্মী প্রবন্ধ লিখে থাকেন। তার লেখার মূল শক্তি হলো সহজ-সরল ভাষা, তথ্যভিত্তিক উপস্থাপন এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি কলাম শুধু মতামত প্রকাশের মাধ্যম নয়; বরং সমাজকে ভাবতে শেখানোর একটি শক্তিশালী উপকরণ।

শাহজাহান বাশারের মতে, সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো বস্তুনিষ্ঠতা, সততা এবং জনস্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধতা। তিনি বলেন, “একজন সাংবাদিকের পরিচয় তার পেশাদারিত্বে। সাংবাদিক কোনো নির্দিষ্ট সমাজ, গোষ্ঠী, শ্রেণি কিংবা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নন। তিনি সত্য ও তথ্যের প্রতিনিধি। তাই সাংবাদিকদের উচিত দলীয় বা ব্যক্তিগত অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে আত্মমর্যাদা, পেশাগত নীতিবোধ এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে কাজ করা।”

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে তিনি দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমে আরও বৃহত্তর পরিসরে কাজ করতে চান। তার ভাষায়, “আমি শুধু একটি জেলা বা নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। আমি চাই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ, যাতে বৃহত্তর পরিসরে সত্য ও বাস্তবতা তুলে ধরা যায়। একজন সাংবাদিক যত বিস্তৃত পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাবেন, ততই সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রকৃত চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে।”

একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মূল্যবোধকে গভীরভাবে ধারণ করেন। তিনি মনে করেন, সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজে বিভেদ নয়, বরং মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।

মাদক, ইভটিজিং, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, দুর্নীতি ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার। তার মতে, সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো যুবসমাজ। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যুবকরাই পারে মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে। যুবসমাজ যদি সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে, তাহলে মাদক, ধর্ষণ, দুর্নীতি এবং অন্যান্য অসামাজিক কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব।”

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতিও তিনি গঠনমূলক রাজনীতির আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, প্রতিহিংসা, বিভাজন এবং সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে জাতীয় স্বার্থ, জনগণের কল্যাণ এবং উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু তা যেন কখনো জাতীয় ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতির পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

পরিশেষে তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়। এটি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকারকে ধারণ করেই মো. শাহজাহান বাশার দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার, জনস্বার্থ, সামাজিক সচেতনতা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা করে চলেছেন। সত্য, ন্যায়, মানবিক মূল্যবোধ এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যম চর্চার মাধ্যমে তিনি ভবিষ্যতেও সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশাই পাঠকসমাজ ও সংশ্লিষ্ট মহলের।