Dhaka 10:50 am, Friday, 5 June 2026

চট্টগ্রামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে ১৪নং-ওয়ার্ড লালখান বাজারে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক:-
দলীয় কার্যালয় দখলের অভিযোগক‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’দাবিকরে ব্যানিজিক নগরীর
চট্টগ্রাম মহানগরের ১৪নং- ওয়ার্ড লালখান বাজারের ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব ও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওয়ার্ড বিএনপি। গত ১৫ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত ওই সংবাদকে সম্পূর্ণ বানোয়াট,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দলটির নেতৃবৃন্দ। চট্টগ্রাম মহানগর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আজকে বেলা সাড়ে বারোটায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওয়ার্ড বিএনপির নেতারা। এসময় তারা অভিযোগ করেন,“নিউজ বাংলা”নামক একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদে ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব জনাব মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের বিরুদ্ধে জায়গা দখল করে দলীয় কার্যালয় নির্মাণের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আলোচিত জায়গাটির পাশেই জনাব রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গা রয়েছে। তিনি বহু আগে সেখানে তাঁর কেয়ারটেকারের বসবাসের জন্য একটি অস্থায়ী সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীতে আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে ওই কেয়ারটেকার ঘরটি দিনের বেলায় রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করেন জনাব মোস্তাফিজুর রহমান সুমন। এতে কোনো ধরনের দখল, বেদখল কিংবা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করা হয়।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, যারা অনলাইনে বক্তব্য দিয়েছেন— মোঃ ইউনুস, মোহাম্মদ ফরহাদ, মোঃ আবুল কাশেম ও মোঃ ইদ্রিস — তারা নিজেরাই স্বীকার করেছেন যে জায়গাটি পূর্বে ‘জলসা ক্লাব’-এর নামে ইজারা ছিল। পরে লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন হাজারীর নেতৃত্বে ইউনুস নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করে পুরো জায়গাটি দখলের অপচেষ্টা চালানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, আমজাদ হাজারী গং সরকারের কাছ থেকে লিজ পেলেও নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকার কর্তৃক তাদের বরাদ্দ বাতিল করা হয়। বর্তমানে জায়গাটিতে আদালতের নির্দেশে স্থিতাবস্থা (Status Quo) জারি রয়েছে এবং কোনো পক্ষের নামেই জায়গিটি বরাদ্দ নেই। এদিকে জনাব রফিকুল ইসলাম নতুন করে জায়গাটি ইজারা নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর আমজাদ হাজারীর নেতৃত্বে এবং ইউনুসের সহযোগিতায় মহামান্য হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জায়গাটি দখলের অপচেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ হিসেবে উল্লেখ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া একপেশে ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশবাসীর সামনে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার জন্য দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

#চট্টগ্রাম #লালখানবাজার #বিএনপি #সংবাদ_সম্মেলন #রাজনীতি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

চট্টগ্রামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে ১৪নং-ওয়ার্ড লালখান বাজারে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

Update Time : 02:22:34 pm, Sunday, 17 May 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক:-
দলীয় কার্যালয় দখলের অভিযোগক‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’দাবিকরে ব্যানিজিক নগরীর
চট্টগ্রাম মহানগরের ১৪নং- ওয়ার্ড লালখান বাজারের ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব ও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওয়ার্ড বিএনপি। গত ১৫ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত ওই সংবাদকে সম্পূর্ণ বানোয়াট,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দলটির নেতৃবৃন্দ। চট্টগ্রাম মহানগর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আজকে বেলা সাড়ে বারোটায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওয়ার্ড বিএনপির নেতারা। এসময় তারা অভিযোগ করেন,“নিউজ বাংলা”নামক একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদে ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব জনাব মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের বিরুদ্ধে জায়গা দখল করে দলীয় কার্যালয় নির্মাণের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আলোচিত জায়গাটির পাশেই জনাব রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গা রয়েছে। তিনি বহু আগে সেখানে তাঁর কেয়ারটেকারের বসবাসের জন্য একটি অস্থায়ী সেমিপাকা ঘর নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীতে আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে ওই কেয়ারটেকার ঘরটি দিনের বেলায় রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করেন জনাব মোস্তাফিজুর রহমান সুমন। এতে কোনো ধরনের দখল, বেদখল কিংবা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করা হয়।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, যারা অনলাইনে বক্তব্য দিয়েছেন— মোঃ ইউনুস, মোহাম্মদ ফরহাদ, মোঃ আবুল কাশেম ও মোঃ ইদ্রিস — তারা নিজেরাই স্বীকার করেছেন যে জায়গাটি পূর্বে ‘জলসা ক্লাব’-এর নামে ইজারা ছিল। পরে লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন হাজারীর নেতৃত্বে ইউনুস নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করে পুরো জায়গাটি দখলের অপচেষ্টা চালানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, আমজাদ হাজারী গং সরকারের কাছ থেকে লিজ পেলেও নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকার কর্তৃক তাদের বরাদ্দ বাতিল করা হয়। বর্তমানে জায়গাটিতে আদালতের নির্দেশে স্থিতাবস্থা (Status Quo) জারি রয়েছে এবং কোনো পক্ষের নামেই জায়গিটি বরাদ্দ নেই। এদিকে জনাব রফিকুল ইসলাম নতুন করে জায়গাটি ইজারা নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর আমজাদ হাজারীর নেতৃত্বে এবং ইউনুসের সহযোগিতায় মহামান্য হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জায়গাটি দখলের অপচেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ হিসেবে উল্লেখ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া একপেশে ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশবাসীর সামনে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার জন্য দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

#চট্টগ্রাম #লালখানবাজার #বিএনপি #সংবাদ_সম্মেলন #রাজনীতি