Dhaka 12:30 am, Sunday, 14 June 2026

সন্ত্রাস, মাদক ও অপরাধ দমনে বোয়ালিয়া থানার চমকপ্রদ সাফল্য

  • Reporter Name
  • Update Time : 08:25:29 pm, Saturday, 13 June 2026
  • 8 Time View

মোঃ সোহেল রানা, রাজশাহী বিভাগীয়
প্রধান: অপরাধীদের আতঙ্ক, সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) এর বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) বর্তমানে নগরীর অপরাধ দমনে অন্যতম কার্যকর ইউনিট হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, চোর, ছিনতাইকারী, প্রতারক ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে একের পর এক সফলতা অর্জনের ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে অপরাধীদের মধ্যেও সৃষ্টি হয়েছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক।
গত এক বছরে একাধিক চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন, গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেপ্তার, অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার, মাদক ও বিস্ফোরক জব্দ এবং মানবিক পুলিশিংয়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)।
সর্বপ্রথম, বোয়ালিয়া মডেল থানার এফআইআর নং-১৬, তারিখ ১৭ জুন ২০২৫, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৭/৯(১)/৩০ ধারার মামলার প্রধান আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। একই সঙ্গে অপহৃত ভিকটিমকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
এরপর বোয়ালিয়া মডেল থানার মামলা নং-১০, তারিখ ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, দণ্ডবিধির ৪৫৪/৩৮০ ধারার একটি চুরির মামলার তদন্তে চুরি হওয়া দুইটি স্বর্ণের বার অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৪/৫ ধারার মামলায় অভিযান চালিয়ে চারটি ককটেল উদ্ধার এবং নয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। একই বছরের ৯ জানুয়ারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণাকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। বিভিন্ন অভিযানে শত শত ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক উদ্ধার এবং একাধিক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিশেষ করে ৬ জুন ২০২৬ তারিখে চন্দ্রিমা থানার একটি মামলায় ২ হাজার ৫৫ পিস ইয়াবা ও ৩৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মাদকবিরোধী অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এছাড়াও নগরীর খুলিপাড়া এলাকার আলোচিত সন্ত্রাসী ও কথিত ভুয়া সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত নজরুল ইসলাম জুলুকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগে আলোচিত এ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনালে সংঘটিত মারামারি, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত একাধিক আসামিকেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে চমক দেখায় পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে পুলিশ।
সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায়ও দ্রুততার নজির স্থাপন করেছে পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। ৮ জুন ২০২৬ তারিখে সংঘটিত ওই ঘটনায় মাত্র আড়াই ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এ ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
অপরাধ দমনের পাশাপাশি মানবিক পুলিশিংয়েও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। রাজশাহী সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করা ভারতীয় শিশু মোঃ রাহিম শেখ (১২)-কে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলামের উদ্যোগে এবং এসআই মাসুদ কবিরের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রম জনমনে ইতিবাচক সাড়া ফেলে।
এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, “অপরাধ দমনে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং কিংবা যে কোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তাফা মামুন বলেন, “পুলিশের কাজের সমালোচনা যেমন হয়, তেমনি ভালো কাজের স্বীকৃতিও দেওয়া উচিত। বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) যেভাবে একের পর এক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনছে, চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন করছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করে দ্রুত অপরাধী গ্রেপ্তার এবং মানবিক পুলিশিংয়ের বিষয়গুলো জনগণের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) এর ধারাবাহিক অভিযান ও সফলতার কারণে নগরীতে অপরাধপ্রবণতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সদস্যরা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে আগের মতো প্রকাশ্যে তৎপরতা চালাতে পারছে না।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) এর এ সাফল্যের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত রাজশাহী গড়ে তুলতে তারা আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

অটোরিক্সা চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অটো চালকের মৃত্যু,

সন্ত্রাস, মাদক ও অপরাধ দমনে বোয়ালিয়া থানার চমকপ্রদ সাফল্য

Update Time : 08:25:29 pm, Saturday, 13 June 2026

মোঃ সোহেল রানা, রাজশাহী বিভাগীয়
প্রধান: অপরাধীদের আতঙ্ক, সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) এর বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) বর্তমানে নগরীর অপরাধ দমনে অন্যতম কার্যকর ইউনিট হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, চোর, ছিনতাইকারী, প্রতারক ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে একের পর এক সফলতা অর্জনের ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে অপরাধীদের মধ্যেও সৃষ্টি হয়েছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক।
গত এক বছরে একাধিক চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন, গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেপ্তার, অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার, মাদক ও বিস্ফোরক জব্দ এবং মানবিক পুলিশিংয়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)।
সর্বপ্রথম, বোয়ালিয়া মডেল থানার এফআইআর নং-১৬, তারিখ ১৭ জুন ২০২৫, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৭/৯(১)/৩০ ধারার মামলার প্রধান আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। একই সঙ্গে অপহৃত ভিকটিমকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
এরপর বোয়ালিয়া মডেল থানার মামলা নং-১০, তারিখ ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, দণ্ডবিধির ৪৫৪/৩৮০ ধারার একটি চুরির মামলার তদন্তে চুরি হওয়া দুইটি স্বর্ণের বার অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৪/৫ ধারার মামলায় অভিযান চালিয়ে চারটি ককটেল উদ্ধার এবং নয়জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। একই বছরের ৯ জানুয়ারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণাকারী একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। বিভিন্ন অভিযানে শত শত ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক উদ্ধার এবং একাধিক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিশেষ করে ৬ জুন ২০২৬ তারিখে চন্দ্রিমা থানার একটি মামলায় ২ হাজার ৫৫ পিস ইয়াবা ও ৩৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মাদকবিরোধী অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এছাড়াও নগরীর খুলিপাড়া এলাকার আলোচিত সন্ত্রাসী ও কথিত ভুয়া সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত নজরুল ইসলাম জুলুকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগে আলোচিত এ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি রাজশাহীর শিরোইল বাস টার্মিনালে সংঘটিত মারামারি, ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত একাধিক আসামিকেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে চমক দেখায় পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে পুলিশ।
সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায়ও দ্রুততার নজির স্থাপন করেছে পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম)। ৮ জুন ২০২৬ তারিখে সংঘটিত ওই ঘটনায় মাত্র আড়াই ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এ ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
অপরাধ দমনের পাশাপাশি মানবিক পুলিশিংয়েও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। রাজশাহী সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করা ভারতীয় শিশু মোঃ রাহিম শেখ (১২)-কে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলামের উদ্যোগে এবং এসআই মাসুদ কবিরের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রম জনমনে ইতিবাচক সাড়া ফেলে।
এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, “অপরাধ দমনে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং কিংবা যে কোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তাফা মামুন বলেন, “পুলিশের কাজের সমালোচনা যেমন হয়, তেমনি ভালো কাজের স্বীকৃতিও দেওয়া উচিত। বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) যেভাবে একের পর এক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনছে, চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন করছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করে দ্রুত অপরাধী গ্রেপ্তার এবং মানবিক পুলিশিংয়ের বিষয়গুলো জনগণের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) এর ধারাবাহিক অভিযান ও সফলতার কারণে নগরীতে অপরাধপ্রবণতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সদস্যরা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে আগের মতো প্রকাশ্যে তৎপরতা চালাতে পারছে না।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, বোয়ালিয়া মডেল থানার পুলিশের অভিযান পরিচালিত (সিভিল টিম) এর এ সাফল্যের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত রাজশাহী গড়ে তুলতে তারা আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।