Dhaka 8:12 pm, Monday, 27 July 2026

কক্সবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-রোগীর

মোঃ জালাল উদ্দিন জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজার শহরের কলাতলি-বাইপাস এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অতিপ্রয়োজনীয়তা। দেশের পর্যটন রাজধানীখ্যাত এই শহরে বিশ্বমানের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রের দাবি দীর্ঘদিনের। মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা হলেও হাসপাতালের নির্মাণকাজ সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। যার ফলে আগুনে দগ্ধ রোগী, কিডনি রোগী থেকে শুরু করে গুরুতর অসুস্থদের নিয়ে ছুটতে হয় চট্টগ্রাম-ঢাকায়। অনেক সময় আর্থিক সংকটের কারণে রোগীকে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হয় অনেকটা বিনা চিকিৎসায়। এই সংকট থেকে উত্তরণে এখুনি জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

ওই ঘটনায় ১৬ জন আদম সন্তান দগ্ধ হয়েছে। ভস্মীভূত হয়েছে বেশ ক’টি বসতবাড়ি, যানবাহন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার। এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পর্যটন উদ্যোক্তা একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এর দায়ভার কে নেবে?

ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত এন আলম কোন সাহসে, কাদের যোগসাজশে এবং কোন আইনে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় গ্যাসের পাম্প স্থাপন করেছেন, সেটির অনুমোদন কারা দিয়েছেন, তার খুঁটির জোর কোথায়- এইসব খতিয়ে দেখার এবং আইনি পদক্ষেপের দাবি জানাই।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্ত ও নিঃস্ব ব্যবসায়ীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।

কক্সবাজার শহরের কলাতলি-বাইপাস এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অতিপ্রয়োজনীয়তা। দেশের পর্যটন রাজধানীখ্যাত এই শহরে বিশ্বমানের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রের দাবি দীর্ঘদিনের। মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা হলেও হাসপাতালের নির্মাণকাজ সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। যার ফলে আগুনে দগ্ধ রোগী, কিডনি রোগী থেকে শুরু করে গুরুতর অসুস্থদের নিয়ে ছুটতে হয় চট্টগ্রাম-ঢাকায়। অনেক সময় আর্থিক সংকটের কারণে রোগীকে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হয় অনেকটা বিনা চিকিৎসায়। এই সংকট থেকে উত্তরণে এখুনি জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

ওই ঘটনায় ১৬ জন আদম সন্তান দগ্ধ হয়েছে। ভস্মীভূত হয়েছে বেশ ক’টি বসতবাড়ি, যানবাহন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার। এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পর্যটন উদ্যোক্তা একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এর দায়ভার কে নেবে?

ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত এন আলম কোন সাহসে, কাদের যোগসাজশে এবং কোন আইনে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় গ্যাসের পাম্প স্থাপন করেছেন, সেটির অনুমোদন কারা দিয়েছেন, তার খুঁটির জোর কোথায়- এইসব খতিয়ে দেখার এবং আইনি পদক্ষেপের দাবি জানাই।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্ত ও নিঃস্ব ব্যবসায়ীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাজশাহী গোদাগাড়ীতে চার বছরে বেকারি পণ্য সরবরাহকারী থেকে ৩২ দোকান ও প্লটের মালিক, সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন ‎

কক্সবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-রোগীর

Update Time : 01:56:03 pm, Friday, 27 February 2026

মোঃ জালাল উদ্দিন জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজার শহরের কলাতলি-বাইপাস এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অতিপ্রয়োজনীয়তা। দেশের পর্যটন রাজধানীখ্যাত এই শহরে বিশ্বমানের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রের দাবি দীর্ঘদিনের। মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা হলেও হাসপাতালের নির্মাণকাজ সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। যার ফলে আগুনে দগ্ধ রোগী, কিডনি রোগী থেকে শুরু করে গুরুতর অসুস্থদের নিয়ে ছুটতে হয় চট্টগ্রাম-ঢাকায়। অনেক সময় আর্থিক সংকটের কারণে রোগীকে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হয় অনেকটা বিনা চিকিৎসায়। এই সংকট থেকে উত্তরণে এখুনি জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

ওই ঘটনায় ১৬ জন আদম সন্তান দগ্ধ হয়েছে। ভস্মীভূত হয়েছে বেশ ক’টি বসতবাড়ি, যানবাহন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার। এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পর্যটন উদ্যোক্তা একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এর দায়ভার কে নেবে?

ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত এন আলম কোন সাহসে, কাদের যোগসাজশে এবং কোন আইনে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় গ্যাসের পাম্প স্থাপন করেছেন, সেটির অনুমোদন কারা দিয়েছেন, তার খুঁটির জোর কোথায়- এইসব খতিয়ে দেখার এবং আইনি পদক্ষেপের দাবি জানাই।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্ত ও নিঃস্ব ব্যবসায়ীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।

কক্সবাজার শহরের কলাতলি-বাইপাস এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অতিপ্রয়োজনীয়তা। দেশের পর্যটন রাজধানীখ্যাত এই শহরে বিশ্বমানের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রের দাবি দীর্ঘদিনের। মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা হলেও হাসপাতালের নির্মাণকাজ সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। যার ফলে আগুনে দগ্ধ রোগী, কিডনি রোগী থেকে শুরু করে গুরুতর অসুস্থদের নিয়ে ছুটতে হয় চট্টগ্রাম-ঢাকায়। অনেক সময় আর্থিক সংকটের কারণে রোগীকে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হয় অনেকটা বিনা চিকিৎসায়। এই সংকট থেকে উত্তরণে এখুনি জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

ওই ঘটনায় ১৬ জন আদম সন্তান দগ্ধ হয়েছে। ভস্মীভূত হয়েছে বেশ ক’টি বসতবাড়ি, যানবাহন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার। এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পর্যটন উদ্যোক্তা একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এর দায়ভার কে নেবে?

ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত এন আলম কোন সাহসে, কাদের যোগসাজশে এবং কোন আইনে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় গ্যাসের পাম্প স্থাপন করেছেন, সেটির অনুমোদন কারা দিয়েছেন, তার খুঁটির জোর কোথায়- এইসব খতিয়ে দেখার এবং আইনি পদক্ষেপের দাবি জানাই।

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্ত ও নিঃস্ব ব্যবসায়ীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।