Dhaka 6:33 pm, Monday, 20 April 2026

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতা মাউশির

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতা মাউশির

বিশেষ প্রতিনিধি চাটখিল নোয়াখালী মো:জাকির হোসেন

দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন৷ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য facebook সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বুধবার ২৪ শে ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে ইস্যু করা এক জরুরী চিঠিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। চিঠিতে স্পষ্ট করাহয়েছে যে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা এবং নতুন প্রণীত সাইবার সুরক্ষা আইন লংঘন করলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা ২০১৯ পরিমার্জিত সংস্করণ এবং সাইবার জগতের নিরাপত্তা নিশ্চিত সাইবার সুরক্ষার অধ্যাদেশ ২০২৫ কার্যকর রয়েছে।

এই নির্দেশিকা ও অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোন ধরনের উস্কানি মূলক পোস্ট গুজব ছড়ানো কিংবা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
নির্দেশনা আরো বলা হয়েছে এসব নিয়ম অমান্য করলে কেবল পেশাগত আচরণ বিধি লঙ্ঘনই নয় বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হানিকর এবং প্রচলিত আইনে বিচারযোগ্য ও শাস্তি যোগ্য অপরাধ।

শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এই নির্দেশনা মাউশির আওতাধীন সব দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সাইবার সুরক্ষা মেনে চলার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশনা হয়েছে। বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ সনাক্তকরণ প্রতিরোধ ও দমনের বিষয়ে সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে তা এই সতর্কবার্তায় পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই বাড়তি সতর্কতা আরোপ করল।

নির্দেশনা বাস্তবায়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে তাদের প্রতিষ্ঠানের কেউ সাইবার অপরাধ বা আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো কাজে জড়িয়ে না পড়ে।

মাউশি জানিয়েছে এখন থেকে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের facebook কার্যক্রমের ওপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে এবং আইন অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাূদেশ ২০২৫ এর অধীনে ডিজিটাল অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় কোন শিথিলতা দেখানো হবে না বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ব্যাংক এশিয়া:এজেন্ট বিজনেস মিট ২০২৬-এর সফল আয়োজন

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতা মাউশির

Update Time : 03:27:19 pm, Thursday, 25 December 2025

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতা মাউশির

বিশেষ প্রতিনিধি চাটখিল নোয়াখালী মো:জাকির হোসেন

দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন৷ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য facebook সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বুধবার ২৪ শে ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে ইস্যু করা এক জরুরী চিঠিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। চিঠিতে স্পষ্ট করাহয়েছে যে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা এবং নতুন প্রণীত সাইবার সুরক্ষা আইন লংঘন করলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা ২০১৯ পরিমার্জিত সংস্করণ এবং সাইবার জগতের নিরাপত্তা নিশ্চিত সাইবার সুরক্ষার অধ্যাদেশ ২০২৫ কার্যকর রয়েছে।

এই নির্দেশিকা ও অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোন ধরনের উস্কানি মূলক পোস্ট গুজব ছড়ানো কিংবা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
নির্দেশনা আরো বলা হয়েছে এসব নিয়ম অমান্য করলে কেবল পেশাগত আচরণ বিধি লঙ্ঘনই নয় বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হানিকর এবং প্রচলিত আইনে বিচারযোগ্য ও শাস্তি যোগ্য অপরাধ।

শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এই নির্দেশনা মাউশির আওতাধীন সব দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সাইবার সুরক্ষা মেনে চলার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশনা হয়েছে। বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ সনাক্তকরণ প্রতিরোধ ও দমনের বিষয়ে সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে তা এই সতর্কবার্তায় পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই বাড়তি সতর্কতা আরোপ করল।

নির্দেশনা বাস্তবায়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে তাদের প্রতিষ্ঠানের কেউ সাইবার অপরাধ বা আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো কাজে জড়িয়ে না পড়ে।

মাউশি জানিয়েছে এখন থেকে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের facebook কার্যক্রমের ওপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে এবং আইন অমান্য কারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাূদেশ ২০২৫ এর অধীনে ডিজিটাল অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ায় কোন শিথিলতা দেখানো হবে না বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।