
ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ নাজমুল ইসলাম সম্রাট
প্রসাশনের ভূমিকায়:- বাংলাদেশ আমার অহংকার এই স্লোগান নিয়ে র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র, মাদক উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর হত্যা এবং বিভিন্ন আলোচিত অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতারের মাধ্যমে র্যাব ইতোমধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
ঘটনার বিস্তারিত:-ভিকটিমের বাবা পেশায় একজন কৃষক। আসামীগন পূর্ব পরিচিত এবং একই এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিম ১৩ বছরের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ে। গত ১৪/০২/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ১১ ঘটিকার সময় এজাহারনামীয় ১নং আসামী ছানোয়ার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ভিকটিমকে নগদ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে তার পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিমকে রূপগঞ্জ থানাধীন কাঞ্চন পৌরসভার অর্ন্তগত নরাবটেক সাকিনস্থ সানোয়ারের বসত ঘরের ভিতরে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করে এবং সে ভিকটিমকে ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য প্রাণ-নাশের হুমকি প্রদান করায় ভিকটিম প্রাথমিকভাবে বিষয়টি গোপন রাখে। পরবর্তীতে ভিকটিম শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার পরিবার গত ১৬/০২/২০২৯৬ তারিখ রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে চিকিৎসা করান। পরবর্তীতে ভিকটিমের পরিবার মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে ভিকটিম উপরোক্ত ধর্ষনের ঘটনার কথা বলে। আরো জিজ্ঞাসাবাদে ভিকটিম জানায় যে ইতিপূর্বে আসামি ছানোয়ার গ্রেফতারকৃত ২ নং আসামি নুরুর সহায়তায় ভিকটিমকে একাধিকবার জোড় পূর্বক ধর্ষন করেছে। ভিকটিমের পিতা আসামীদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে চাইলে ১ নং আসামি ছানোয়ার সহ গ্রেফতারকৃত এজাহারনামীয় ২নং এবং ৪ নং আসামি তাকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধামকি ও ভয় ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে। পরবর্তিতে ভিকটিমের পিতা আসামিদের ভয় ভীতি, হুমকি উপেক্ষা করে প্রতিবন্ধী মেয়ের ধর্ষণের বিচারের দাবিতে ঘটনার ১১ দিন পর রূপগঞ্জ থানা একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পরপরই বিষয়টি বিভিন্ন টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
অত্র মামলাটি রুজু হওয়ার পর, মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের গ্রেফতারের জন্যে র্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিএসসি এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ০৩ মার্চ, ২০২৬ ইং তারিখ রাত ০১.০০ ঘটিকার সময় নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাইনবোর্ড ও ডিএমপি, ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকায় পৃথক অভিযান করে অত্র মামলার এজাহারনামীয় ২নং আসামি নুরু মিয়া (৬৭), পিতাঃ মৃত সোবহান এবং ৪নং আসামি ফালান (৫০), পিতাঃ নুরু মিয়া, সর্ব সাং-নরাবটেক, থানা- রুপগঞ্জ, জেলা-নারায়ণ গঞ্জদ্বয়দের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করলেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রূপগঞ্জ থানা পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে।
মোঃ নাজমুল ইসলাম সম্রাট 

















