
বাংলাদেশ রেলওয়েকে আধুনিক, নিরাপদ ও জনবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন রেলপথ নির্মাণের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ইঞ্জিন ও কোচ সংকট দূর করে যাত্রীসেবার মান উন্নয়নই এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ জানান, বর্তমানে রেলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো লোকোমোটিভ ও কোচের ঘাটতি। এ সংকট কাটাতে ভারত থেকে প্রায় ২০০টি ব্রডগেজ কোচ ও লোকোমোটিভ আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে নতুন মিটারগেজ ইঞ্জিন সংগ্রহের পরিকল্পনাও রয়েছে।
ঢাকার ওপর চাপ কমাতে গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও ভাঙ্গা অঞ্চলে কমিউটার ট্রেন সার্ভিস সম্প্রসারণ করা হবে। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা কর্ড লাইন এবং সিরাজগঞ্জ-বগুড়া নতুন রেললাইন প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে।
বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে অচল ডেমু ট্রেন সচল করা, বড় স্টেশনগুলোতে আধুনিক অপেক্ষাকক্ষ নির্মাণ, নতুন ট্রেনে ইন্টারনেট সুবিধা চালু এবং রেলের অব্যবহৃত জমিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ রেলক্রসিংয়ে আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের পুরো রেল নেটওয়ার্ককে ব্রডগেজে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন কোচ ও ট্রেন যুক্ত হলে আন্তঃনগর ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিটের প্রয়োজনও ধীরে ধীরে কমে আসবে। সরকারের লক্ষ্য শুধু নতুন রেললাইন নির্মাণ নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত অবকাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়েকে একটি বিশ্বস্ত ও সময়োপযোগী গণপরিবহনে পরিণত করা। :::
Reporter Name 

























