Dhaka 3:40 pm, Friday, 5 June 2026

নামছে না হাওরের পানি কৃষকদের মাঝে অনিশ্চয়তা, সহযোগিতার কেউ নেই 

নামছে না হাওরের পানি কৃষকদের মাঝে অনিশ্চয়তা, সহযোগিতার কেউ নেই

 

আশা আক্তার চম্পা (অষ্টগ্রাম) কিশোরগঞ্জ

 

কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষির উপর নির্ভরশীল হয়ে বেঁচে আছে |কৃষক ছয় মাস কৃষি কাজ করে,আর বাকি ছয় মাস জেলেরা মাছ ধরে এবং অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে গ্রামের মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে |

হাওরের মাটিতে ফলে সোনার ফসল,যা দেশের শস্য ভান্ডার হিসেবে সারা বাংলাদেশে একটি ভূমিকা পালন করে |আমরা এ কথাটা সবাই বিশ্বাস করি কৃষক ফসল ফলায় বিদায় আমরা সবাই বেঁচে থাকতে পারি জীবন নির্বাহ করি খুব সহজে |

কিন্তু এবছর দেখা যাচ্ছে কৃষকদের আর্তনাদ ও কান্নামাখা মুখ | আজ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, পৌষ মাসের ১৩ তারিখ ,চতুর্দিকে ইরি, বোরো মৌসুমের চারা গাছ রোপন করা হচ্ছে কিন্তু ঘয়ের পুর আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের কৃষকেরা কান্না মাখা মুখ নিয়ে বসে আছেন, কখন পানি নামবে আর তারা চাষাবাদ করবে |

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,কৃষকদের পক্ষ থেকে মোহিত মিয়া বলেন, শীবপুর ও সুজন পুর এর মধ্য দিয়ে একটা খাল আছে যদি খাল টা খনন করা যায় তাহলে আমরা এ বছর জমি চাষাবাদ করতে পারব |

৭ নং খয়েরপুর আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের আনোয়ার খান বলেন, এ ইউনিয়নের কলিমপুর ,আব্দুল্লাহপুর, গয়েশপুর ,খলাগাঁও, বাজুকা এলাকার প্রায় ৪৫% ফসলী জমি পানির নিচে | এখানে প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ একর জমি পানির কারনে চাষাবাদ করা যাবে না | তিনি আরও বলেন,আমাদের এলাকার কৃষকের আয়ের উৎস শুধু এটুকু জমিই |

এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার জানান,পানি নিষ্কাশনের জন্য ১৮ সদস্যের একটা টিম গঠন করা হয়েছে | আমরা এবছর যাতে কৃষক জমি চাষাবাদ করতে পারে এর জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করব |

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ধামইরহাটে পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

নামছে না হাওরের পানি কৃষকদের মাঝে অনিশ্চয়তা, সহযোগিতার কেউ নেই 

Update Time : 07:58:56 pm, Monday, 29 December 2025

নামছে না হাওরের পানি কৃষকদের মাঝে অনিশ্চয়তা, সহযোগিতার কেউ নেই

 

আশা আক্তার চম্পা (অষ্টগ্রাম) কিশোরগঞ্জ

 

কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলা কৃষির উপর নির্ভরশীল হয়ে বেঁচে আছে |কৃষক ছয় মাস কৃষি কাজ করে,আর বাকি ছয় মাস জেলেরা মাছ ধরে এবং অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে গ্রামের মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে |

হাওরের মাটিতে ফলে সোনার ফসল,যা দেশের শস্য ভান্ডার হিসেবে সারা বাংলাদেশে একটি ভূমিকা পালন করে |আমরা এ কথাটা সবাই বিশ্বাস করি কৃষক ফসল ফলায় বিদায় আমরা সবাই বেঁচে থাকতে পারি জীবন নির্বাহ করি খুব সহজে |

কিন্তু এবছর দেখা যাচ্ছে কৃষকদের আর্তনাদ ও কান্নামাখা মুখ | আজ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, পৌষ মাসের ১৩ তারিখ ,চতুর্দিকে ইরি, বোরো মৌসুমের চারা গাছ রোপন করা হচ্ছে কিন্তু ঘয়ের পুর আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের কৃষকেরা কান্না মাখা মুখ নিয়ে বসে আছেন, কখন পানি নামবে আর তারা চাষাবাদ করবে |

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,কৃষকদের পক্ষ থেকে মোহিত মিয়া বলেন, শীবপুর ও সুজন পুর এর মধ্য দিয়ে একটা খাল আছে যদি খাল টা খনন করা যায় তাহলে আমরা এ বছর জমি চাষাবাদ করতে পারব |

৭ নং খয়েরপুর আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের আনোয়ার খান বলেন, এ ইউনিয়নের কলিমপুর ,আব্দুল্লাহপুর, গয়েশপুর ,খলাগাঁও, বাজুকা এলাকার প্রায় ৪৫% ফসলী জমি পানির নিচে | এখানে প্রায় ১৫০০ থেকে ২০০০ একর জমি পানির কারনে চাষাবাদ করা যাবে না | তিনি আরও বলেন,আমাদের এলাকার কৃষকের আয়ের উৎস শুধু এটুকু জমিই |

এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার জানান,পানি নিষ্কাশনের জন্য ১৮ সদস্যের একটা টিম গঠন করা হয়েছে | আমরা এবছর যাতে কৃষক জমি চাষাবাদ করতে পারে এর জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করব |