Dhaka 3:47 pm, Friday, 5 June 2026

প্রেমিকের মৃত্যু হয়েছে কিন্তু অপরাজিত প্রেমিকা অর্ধনগ্ন অবস্থায় বেঁচে আছে

প্রেমিকের মৃত্যু হয়েছে কিন্তু অপরাজিত প্রেমিকা অর্ধনগ্ন অবস্থায় বেঁচে আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা

রংপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মেধাবী ছাত্র মোঃ খালিদ হাসান যখন দশম শ্রেণীর এক সম্ভ্রান্ত স্বণাতনী ধর্মের সুশ্রী চেহারার অধিকারী ও মায়াবিনী ঠোঁটের অধীকারিনী ছাত্রী শ্রী জুঁথীরানীর, যেমন তার শরীরের গঠন তেমনি তার যৌবনের উত্তপ্ত শৃঙ্খল,দ্বশম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি লংঘনে দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে এক গভীর প্রেমের সম্পর্ক যার ফলে পরিবারের সদস্যদের অনিচ্ছা সত্বেও খালিদ হাসান এর প্রেমিকা জুঁথিরানী কে ধর্মান্তরিত করে ইসলামী সরিয়া মোতাবেক বিয়ে করেন। এই খবর শোনার পর থেকেই খালিদ হাসান ও ধর্মান্তরিত জুঁথীরানীর থেকে খালেদা বেগম এর সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয় দুটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শুরু হয়েছে অশান্তি। খালিদ হাসান কে তার বাবা মা দুজনেই ত্যাজ্যপুত্র করেন। খালিদ হাসান ও মোছাঃ খালেদা বেগম কে নিয়ে পাড়ি জমায় ঢাকা শহরের এক মানবিক বাড়িওয়ালার সাথে কথা বলার পর তাদের কাছে রুম ভাড়া দেয়। শুরু হয় খালিদ হাসান ও খালেদা বেগম এর ছোট্ট সংসার জীবন। হঠাৎ করেই একদিন সন্ধ্যায় খালিদ হাসান এর সহকারী নির্মাণ শ্রমিকের খালেদা বেগম কে জানায় খালিদ নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করার সময় নয়তলা ভবন থেকে মাথা ঘুরে নিচে পড়ে গিয়েছিল।আহত খালিদ কে দ্রুত গতিতে সুস্থতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।খবর দেওয়া হয় খালেদা বেগম কে।তরিগড়ি করে হাসপাতালে গেলেন অসহায় খালেদা বেগম, প্রাণপ্রিয় স্বামীর কাছে বসে হাত ধরে আভেক প্রবন্ধ কন্টে খালিদ হাসান কে শান্তনা দিয়ে বলছে তোমার কিছুই হবেনা আমি আছি তো তোমার পাশে। নিয়তির নির্মম পরিহাসের কাছে হারমেনেয় জীবন যুদ্ধে পরাজিত সৈনিক প্রেম জয়ী খালিদ হাসান নিজ প্রিয়ষীকে শেষ বিদায়ের সময় হৃদযন্ত্রের উপর হাতটা রেখে আদর করে বলল তুমি কখন আমাকে ভুলে যাবে না তো আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমি তোমার ভালোবাসা সংঙ্গে নিয়ে যে স্বপ্নগুলো সাজিয়ে ছিলাম তা হয়তো এখানেই সমাপ্তি ঘটে যাবে। তুমি আমাকে ধরে রাখার চেষ্টা করলেও নিয়তির নির্মমতার কাছে। অসুস্থ খালিদ হাসান মৃত্যুর কূলে ডলেপরে খালিদ হাসান। চলে গেল না ফেরার দেশে।একা হয়ে গেছে প্রেমিকা জুঁতিরানী উরফে খালেদা বেগম। প্রেমিকের মৃত্যুর পর তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে অনেক বার কৌতুহল হয়ে খালেদা বেগম কে পূর্ণরায় জুঁতিরানীর রূপে দেখতে কিন্তু প্রয়াত প্রেমিক খালিদের সৃস্তি বুকে জড়িয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে আর খালেদ খালেদ জল্পনা শুরু করে।আর প্রিয়জনকে হাড়িয়ে খালেদা বেগম এখনো খেলন পাগলী নামে পরিচিত লাভ করে।
পরিবারের অমতে প্রেমের স্মৃতি নিয়ে আজও মানুষীক ভারসাম্য হারিয়ে বেঁচে আছে খালেদা বেগম খেলনা পাগলী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ধামইরহাটে পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

প্রেমিকের মৃত্যু হয়েছে কিন্তু অপরাজিত প্রেমিকা অর্ধনগ্ন অবস্থায় বেঁচে আছে

Update Time : 02:34:38 pm, Friday, 26 December 2025

প্রেমিকের মৃত্যু হয়েছে কিন্তু অপরাজিত প্রেমিকা অর্ধনগ্ন অবস্থায় বেঁচে আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা

রংপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মেধাবী ছাত্র মোঃ খালিদ হাসান যখন দশম শ্রেণীর এক সম্ভ্রান্ত স্বণাতনী ধর্মের সুশ্রী চেহারার অধিকারী ও মায়াবিনী ঠোঁটের অধীকারিনী ছাত্রী শ্রী জুঁথীরানীর, যেমন তার শরীরের গঠন তেমনি তার যৌবনের উত্তপ্ত শৃঙ্খল,দ্বশম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি লংঘনে দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে এক গভীর প্রেমের সম্পর্ক যার ফলে পরিবারের সদস্যদের অনিচ্ছা সত্বেও খালিদ হাসান এর প্রেমিকা জুঁথিরানী কে ধর্মান্তরিত করে ইসলামী সরিয়া মোতাবেক বিয়ে করেন। এই খবর শোনার পর থেকেই খালিদ হাসান ও ধর্মান্তরিত জুঁথীরানীর থেকে খালেদা বেগম এর সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয় দুটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শুরু হয়েছে অশান্তি। খালিদ হাসান কে তার বাবা মা দুজনেই ত্যাজ্যপুত্র করেন। খালিদ হাসান ও মোছাঃ খালেদা বেগম কে নিয়ে পাড়ি জমায় ঢাকা শহরের এক মানবিক বাড়িওয়ালার সাথে কথা বলার পর তাদের কাছে রুম ভাড়া দেয়। শুরু হয় খালিদ হাসান ও খালেদা বেগম এর ছোট্ট সংসার জীবন। হঠাৎ করেই একদিন সন্ধ্যায় খালিদ হাসান এর সহকারী নির্মাণ শ্রমিকের খালেদা বেগম কে জানায় খালিদ নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করার সময় নয়তলা ভবন থেকে মাথা ঘুরে নিচে পড়ে গিয়েছিল।আহত খালিদ কে দ্রুত গতিতে সুস্থতার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।খবর দেওয়া হয় খালেদা বেগম কে।তরিগড়ি করে হাসপাতালে গেলেন অসহায় খালেদা বেগম, প্রাণপ্রিয় স্বামীর কাছে বসে হাত ধরে আভেক প্রবন্ধ কন্টে খালিদ হাসান কে শান্তনা দিয়ে বলছে তোমার কিছুই হবেনা আমি আছি তো তোমার পাশে। নিয়তির নির্মম পরিহাসের কাছে হারমেনেয় জীবন যুদ্ধে পরাজিত সৈনিক প্রেম জয়ী খালিদ হাসান নিজ প্রিয়ষীকে শেষ বিদায়ের সময় হৃদযন্ত্রের উপর হাতটা রেখে আদর করে বলল তুমি কখন আমাকে ভুলে যাবে না তো আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমি তোমার ভালোবাসা সংঙ্গে নিয়ে যে স্বপ্নগুলো সাজিয়ে ছিলাম তা হয়তো এখানেই সমাপ্তি ঘটে যাবে। তুমি আমাকে ধরে রাখার চেষ্টা করলেও নিয়তির নির্মমতার কাছে। অসুস্থ খালিদ হাসান মৃত্যুর কূলে ডলেপরে খালিদ হাসান। চলে গেল না ফেরার দেশে।একা হয়ে গেছে প্রেমিকা জুঁতিরানী উরফে খালেদা বেগম। প্রেমিকের মৃত্যুর পর তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে অনেক বার কৌতুহল হয়ে খালেদা বেগম কে পূর্ণরায় জুঁতিরানীর রূপে দেখতে কিন্তু প্রয়াত প্রেমিক খালিদের সৃস্তি বুকে জড়িয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে আর খালেদ খালেদ জল্পনা শুরু করে।আর প্রিয়জনকে হাড়িয়ে খালেদা বেগম এখনো খেলন পাগলী নামে পরিচিত লাভ করে।
পরিবারের অমতে প্রেমের স্মৃতি নিয়ে আজও মানুষীক ভারসাম্য হারিয়ে বেঁচে আছে খালেদা বেগম খেলনা পাগলী।