
> “নিশ্চয়ই মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই। অতএব, তোমরা তোমাদের ভাইদের মধ্যে আপোস-নিষ্পত্তি করো এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা অনুগৃহীত হতে পারো।”
— সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ১০
মুসলিম উম্মাহর পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম এবং আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। উভয় পক্ষই ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রশংসা করা হয় এবং বলা হয়, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হলে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে।
ইসলামে বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন—
> “তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।”
— সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০৩
যদি বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হয়, তবে তা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক হতে পারে।
Reporter Name 























