
মো. তুহিন মোল্লা, নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলে গ্রাম্য শালিশের মধ্যে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে নড়াইল পৌর এলাকার ডুমুরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তির নাম মো. আব্দুর রহিম (হাবিবুর রহমানের ছেলে)। তিনি নড়াইল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের একটি ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন বলে ওয়ার্ড জামায়াতের আমির হারুন রশীদ নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডুমুরতলা গ্রামের ঈদগাহপাড়া এলাকার আশিক মোল্যা ও তার ভাই রাজু মোল্যার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। গত বুধবার আশিক মোল্যা তার ভাই রাজুর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান এবং রাজু ও তাদের বাবাকে মারধর করেন।
এ ঘটনার বিচার চেয়ে রাজু ও তার বাবা স্থানীয়ভাবে শালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন। বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে আব্দুর রহিম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক চলাকালে একপর্যায়ে আশিক মোল্যা শালিশ থেকে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় আব্দুর রহিম তাকে থামাতে গেলে তিনি হাতে থাকা ছুরি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
আহতের ভাতিজা তানভীর রহমান বলেন, “আশিক ও রাজু আপন দুই ভাই। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা ঘটে। শালিশে মীমাংসার চেষ্টা চলছিল। কিন্তু আশিক চলে যাওয়ার সময় তাকে থামাতে গেলে আব্দুর রহিমকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।”
অভিযুক্ত আশিক মোল্যার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তের বাবা কালিম মোল্যা বলেন, “আমার ছেলে আব্দুর রহিমকে কুপিয়েছে। আমি তার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, “শালিশ বৈঠকে একজনকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” :::
মোঃ তুহিন মোল্লা 






















