
নিজস্ব প্রতিবেদক:জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে এবং নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম সংবিধান অনুযায়ী অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা রাষ্ট্রপতি সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা ও দায়িত্ব প্রয়োগ করতে পারেন।
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করে। সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্বাচিত ব্যক্তি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্বভার গ্রহণ করলে স্পিকারের অস্থায়ী দায়িত্ব পালনের মেয়াদ শেষ হয়।
তবে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, পদত্যাগপত্র গ্রহণ, তা কার্যকর হওয়ার সময় এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ—এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও সরকারি প্রজ্ঞাপনের ওপর নির্ভরশীল।
এ কারণে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে সংবিধানের আলোকে বলা যায়, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
সাংবিধানিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্র পরিচালনায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সাংবিধানিক শূন্যতা এড়াতেই এ বিধান রাখা হয়েছে, যাতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ শূন্য হলেও প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হতে পারে।
জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল 





















